আশুলিয়া প্রতিনিধি : আশুলিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রবিউল ইসলাম (২৬) নামের এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো এক নির্মাণ শ্রমিক।
রোববার (২৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টারদিকে আশুলিয়া থানার এসআই মো: সাইফুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে, একইদিন বিকেল ৫টার দিকে আশুলিয়ার কোনাপাড়া ছয়তলা একটি ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায় সে।
নিহত রবিউল ইসলাম লালমনিরহাটের দক্ষিণ দলগ্রাম এলাকার একলাম হোসেনের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার কোনাপাড়া এলাকার হাজী রফিকুল ইসলামের ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে থেকে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন।
¯’ানীয়রা জানান, কোন রকম সেফটি ছাড়াই ছয়তলা একটি ভবনের কাজ করা”িছলেন ইদ্রিস মিয়া। তার পক্ষে কাজ তদারকি করেন তার শ্যালক হাসান আলী। আজকে কাজ করার সময় ভবনের উপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় এবং বিদ্যুতায়িত হন এবং ঘটনা¯’লেই মারা যান।
নিহতের স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানান, গেল দুই মাস আগে কাজের সন্ধানে গ্রামের বাড়ি থেকে আশুলিয়ার কোনাপাড়ায় আসে। পরে এখানে থেকে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন। প্রতিদিনের মত আজ (রোববার) সকালেও কাজের উদ্দেশ্যে কোনাপাড়ায় যান। হঠাৎ বিকেল ৫টার দিকে খবর পান তার স্বামী বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হয়েছেন। পরে দ্রুত ঘটনা¯’ল থেকে তাকে উদ্ধার করে জিরানী বাজার¯’ বাংলাদেশ কোরিয়া মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পরেও তার স্বামীকে ফেলে রাখা হয়েছে। কিš‘ অন্য একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে সময় মত নিলে হয়তো তার স্বামী মারা যেত না বলে অভিযোগ করেন। তার দুইটা ছোট ছোট সন্তান রয়েছে। তাদের কি হবে বলেও প্রশ্ন ছোড়েন তিনি।
এদিকে, খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১০ টার দিকে ঘটনা¯’ল থেকে মরদেহ উদ্ধার করতে আসে। পরে মৃতের আত্মীয় স্বজনরা লাশ থানায় নিয়ে যেতে বাঁধা প্রদান করে এবং বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিহতের স্ত্রীকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ এবং বিনা ময়নাতদন্তের আবেদন করেন।
আশুলিয়া থানার এস আই সাইফুল ইসলাম জানান, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
