স্টাফ রিপোর্টার : অকার্যকর অবস্থা থেকে চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে (ফাইন্যান্স কোম্পানি) পুনরায় কার্যকর অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে বিশেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পুনর্গঠন, নতুন মূলধন সংগ্রহ এবং আমানতকারীদের পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করতে এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদকে শর্তসাপেক্ষে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ব্যাংক রেজুল্যশন আইন, ২০২৬–এর ধারা ১৫ অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে চারটি ফাইন্যান্স কোম্পানিকে এই বিশেষ সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড; জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড; বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) লিমিটেড ও প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদ ও স্পনসর শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে নতুন মূলধন সংগ্রহ করতে হবে। একই সঙ্গে সম্পদ বিক্রি, বকেয়া ঋণ আদায় এবং খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা সেটেলমেন্টের মাধ্যমে শ্রেণিকৃত ঋণের হার কমিয়ে আনতে হবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ ও ব্যক্তিগত আমানতকারীদের আমানত ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানিয়েছে, তিন মাসের মধ্যে নির্ধারিত শর্তগুলোর যেকোনো একটি বা একাধিক পূরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাংক রেজুল্যশন ডিপার্টমেন্ট ব্যাংক রেজুল্যশন আইন, ২০২৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় রেজুল্যশন কার্যক্রম শুরু করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো দুর্বল ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা।
