স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী রুকন শিক্ষাশিবির সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। এরআগে, শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় শিক্ষাশিবিরের আনুষ্ঠানিকতা।
ঢাকা জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, সংগঠনের অগ্রযাত্রা ও ইসলামী আন্দোলনের সফলতা রুকনদের কার্যকর ভূমিকার উপর নির্ভরশীল। তাদের মধ্যে নিষ্ক্রিয়তা দেখা দিলে সংগঠনের কার্যক্রমে স্থবিরতা সৃষ্টি ও দাওয়াতি কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। প্রত্যেককে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ে তোলার পাশাপাশি সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হতে হবে। নিয়মিত বৈঠকে অংশগ্রহণ, অধ্যয়ন চর্চা, দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার করা এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি করা সম্ভব। ইসলামী আন্দোলনের কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের শৈথিল্য গ্রহণযোগ্য নয়।
ঢাকা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. আফজাল হোসাইনের সঞ্চালনায় আলোচনা পেশ করেন ঢাকা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রউফ, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মো. শাহিনুর ইসলাম। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে দারসুল হাদিস পেশ করেন অধ্যক্ষ মাওলানা সাদিক বিল্লাহ।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন রুকনদের উদ্দেশ্যে নৈতিক চরিত্র, সংগঠনের আদর্শ, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও রুকনদের দায়িত্বের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। আনুগত্যের ব্যাপারে উত্তীর্ণ হতে হবে, জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর গুরুত্ব উপলব্ধি করার আহ্বান জানান তিনি।
দুই দিনব্যাপী কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা এবিএম কামাল হোসাইন ও উপাধ্যক্ষ মো. শাহাদাত হোসাইন, জেলার রাজনৈতিক সেক্রেটারি হাসান মাহবুব মাস্টার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট শহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক কবিরুজ্জামান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক লুৎফর রহমান মোল্লা, শিক্ষা সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. তৌহিদ হোসেন, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আসাদুজ্জামান জীম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ইমদাদুল হক, কাজী বেলাল, হাফেজ ওমর ফারুক, এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক প্রমূখ। এছাড়াও জেলা ও থানার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বাছাইকৃত রুকনরা এতে অংশগ্রহণ করেন।
