স্টাফ রিপোর্টার : সোসাইটি ফর পার্টিসিপেটরী এডুকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (এসপিইডি)-র উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে সাভার উপজেলা বিআরডিবি হলরুমে হিজড়া জনগোষ্ঠির জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ে গণশুনানী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসপিইডি এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ ফজলুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কে.এম. শহিদুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাহানারা আক্তার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খালেদা আক্তার জাহান, উইক্যান বাংলাদেশ’র ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার মোঃ নাজমুস সাকিব, সাভার সিটিজেন ক্লাব লিমিটেড এর জেনারেল সেক্রেটারি লায়ন মুহাম্মদ আলমগীর কবির ও সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বাবুল মোড়ল।
এছাড়াও সোশ্যাল অডিট টিমের সদস্যগণ, গুরুমাতা শাপলা চৌধুরীসহ শিক্ষা প্রতষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ, যুব উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি, হিজড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিগণ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির উপর সোশ্যার অডিট এর প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন মুহাম্মদ নবী আলমের পক্ষে এসপিইডি’র ভাইস-চেয়ারপারসন মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সমাজসেবা কর্মকর্তার নিকট সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদানকৃত ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধিসহ হিজড়া জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, মূলধন, বাসস্থান ইত্যাদির জন্য সরকারি সহায়তার আবেদন জানানো হয়।
প্রধান অতিথি কে.এম শহিদুজ্জামন বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনেক সীমাবদ্ধতার রয়েছে তারপরেও সমাজসেবা অধিদপ্তর হিজড়া জনগোষ্ঠির জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছে। এটি সামান্য হলে এর মাধ্যমে তাদের সাথে যোগাযেগা বা কথা বলার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। দিন দিন এ জনগোষ্ঠির পথ চলার সুবিধা পরিবর্তন হচ্ছে। সামনে আরো হবে। তবে তাদের নিজেদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
মতবিনিময় সভায় হিজরা জনগোষ্ঠিসহ অন্যান্য আলোচকদের মাধ্যমে সমাজসেবা অদিপ্তরের নিকট নিম্নলিখিত সুপারিশগুলো তুলে ধরা হয়। যেমন-সাভার উপজেলার সকল হিজড়াকে ভাতার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা; ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করা; বিকাশ’ অ্যাপ এর মাধ্যমে ভাতা’র অর্থ প্রদান; পরিচয়পত্র প্রদান; এনআইডি সংশোধন সহজীকরণে সমাজসেবা অধিপ্তরের ভূমিকা রাখা; এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাসস্থানের ব্যবস্থা করা; ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সহায়তা করা; গার্মেন্টস এবং অন্যান্য সেক্টরে ইন্টারভিউ ছাড়া সরাসরি চাকরির ব্যবস্থা করা; চাকরি প্রদানে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা এবং কর্মসূচি সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার করা (ফেসবুক এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া)।
