বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ১২:০০ রাত
MENU
#
ধামরাইয়ে চলন্ত বাস থেকে শিক্ষার্থীকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ
daily-fulki

ধামরাইয়ে চলন্ত বাস থেকে শিক্ষার্থীকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ


স্টাফ রিপোর্টার : সাভার সরকারি কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চালক ও সহকারীর বিরুদ্ধে। আহত শিক্ষার্থীর মাথায় ১৫টি সেলাই পড়েছে।


এ ঘটনার প্রতিবাদে ‘সেলফি পরিবহনের’ ১১টি বাস আটক করে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে সাভার থেকে ধামরাইয়ে যাওয়ার পথে সেলফি পরিবহনের একটি বাসে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সাভার সরকারি কলেজের শিক্ষক ইমরান হোসেন রনি। আহত শিক্ষার্থী মো. ইমনের মাথায় ১৫টি সেলাই পড়েছে। তিনি ডান পা ও পিঠেও আঘাত পেয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি।


শিক্ষক ইমরান হোসেন রনি বলেন, চলতি অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার কেন্দ্র ধামরাই সরকারি কলেজে পড়েছে। ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ইমন সেলফি পরিবহনের বাসে করে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে ধামরাইয়ে বাস না থামিয়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়।
তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ইমনের মাথায় ১৫টি সেলাই পড়ে। পরে তিনি অসুস্থ অবস্থায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।


ইমন আহতের খবর পেয়ে তার সহপাঠী ও বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিক সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নিয়ে মহাসড়কে চলাচলকারী সেলফি পরিবহনের ১১টি বাস আটক করে সাভার সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে নিয়ে যায় বলে জানান শিক্ষক ইমরান।
শিক্ষার্থীদের দাবি, সেলফি পরিবহনের বাসগুলো বেপরোয়া গতিতে মহাসড়কে চলাচল করে। এ ছাড়া সাধারণ যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ বাসটির চালক ও সহকারীদের নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।


চলন্ত বাস থেকে ছাত্রকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় জড়িত চালক ও সহকারীকে আটকের পাশাপাশি বাসটি জব্দ করতে প্রশাসনকে আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।


সেইসঙ্গে আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনসহ সেলফি পরিবহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
আটক সেলফি পরিবহনের বাস চালক আজগর হোসেন বলেন, “যে গাড়ি ধাক্কা দিয়ে ছাত্রকে ফেলে দিয়েছে, সেই গাড়ির নম্বরও তারা বলতে পারছে না।


“আমাদের গাড়িগুলো সাভার বাস স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে তারা ধরে এনেছে। আমরা মালিকপক্ষকে জানিয়েছি। তারা বিষয়টি দেখছেন।”


এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাভার মডেল থানা ওসি আরমান আলী বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। খোঁজ-খবর নিয়ে দেখার কথা বলেছেন।
 

সর্বাধিক পঠিত