মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ রাত
MENU
#
ড্যাফোডিলে এআই হ্যাকাথন, গবেষণা ও স্টার্টআপে নতুন দিগন্ত
daily-fulki

ড্যাফোডিলে এআই হ্যাকাথন, গবেষণা ও স্টার্টআপে নতুন দিগন্ত


স্টাফ রিপোর্টার : দেশের তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরিতে উৎসাহিত করতে ‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। আগামী ১১ ও ১২ জুলাই সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে এ আয়োজন।


এ হ্যাকাথনকে সামনে রেখে ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালায়েন্সের (ডব্লিউএএ) সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষে বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে তথ্যপ্রযুক্তি ও উচ্চশিক্ষা খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালায়েন্সের প্রেসিডেন্ট ও স্কেলবিল্ড এআই-এর সিইও মি. উজ্জ্বল রায়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী,বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফখরে হোসেন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. শেখ রাশেদ হায়দার নূরী, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. ইমরান মাহমুদ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. তাসলিম আরেফিন এবং কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রধান মো. সারওয়ার হোসাইন মোল্লাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেকে। 


৪৮ ঘণ্টাব্যাপী এই ইনটেনসিভ হ্যাকাথনের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের একত্রিত করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে বাস্তব সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করা।


নির্বাচিত দলগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের প্রজেক্ট তৈরি ও উপস্থাপন করবে।
অংশগ্রহণের জন্য প্রতিটি দলে থাকতে হবে ৩ জন শিক্ষার্থী ও ১ জন মেন্টর, যিনি একাডেমিক বা ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞ হতে পারবেন।


প্রতিযোগিতাটি তিনটি পৃথক ট্র্যাকে অনুষ্ঠিত হবে।
আগ্রহী অংশগ্রহণকারীদের অনলাইনে নিবন্ধন করে একটি কনসেপ্ট নোট জমা দিতে হবে। পরে বিশেষজ্ঞ বিচারকমণ্ডলী প্রস্তাবনা মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত পর্বের জন্য দল নির্বাচন করবে।
হ্যাকাথনে মোট ২ লাখ টাকার পুরষ্কার রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিজয়ী দলগুলো তাদের প্রকল্পকে স্টার্টআপে রূপান্তরের জন্য ফান্ডিং, মেন্টরশিপ ও ইনকিউবেশন সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবে ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালায়েন্সের মাধ্যমে।


বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে তোলে না, বরং তাদের উদ্ভাবক ও সমস্যা সমাধানকারী হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’ দেশের ইনোভেশন ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক পর্যায়ে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।
 

সর্বাধিক পঠিত