ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাই পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু এখানে নেই প্রথম শ্রেণির পৌরসভার কোনো সুযোগ সুবিধা। রাস্তার ময়লা ও পানি জমে দুর্গন্ধে জনজীবনের বেহাল অবস্থা। ময়লা পানি মাড়িয়েই প্রতিনিয়ত হাজারো মানুষ পারাপার হচ্ছে। পানিতে রাস্তা ডুবে থাকায় অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটছে।
সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায় ধামরাই পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের ছোট চন্দ্রাইল এলাকায়। এখানে দেখা যায়, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। শুষ্ক মৌসুমেও ড্রেনের নোংরা পানি রাস্তায় জমে থাকে। নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের। রাস্তায় যানবাহন চলাচল করতে পারে না। রাস্তা ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে তাই অনেক সময় রিকশা অটোরিকশায় দুর্ঘটনা ঘটে। নোংরা ও পচা পানি জমে মানুষের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। রাস্তা সরু হওয়ায় ড্রেন উপচে রাস্তায় পানি জমে যায়।
স্থানীয়রা জানান, ড্রেনের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পানি রাস্তার ওপর জমে থাকে। পচা পানির কারণে মশা প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে। বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ হচ্ছে। স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী ও অফিসগামী লোকজন সঠিক সময়ে গন্তব্য স্থলে পৌঁছাতে পারে না। বয়স্ক লোকজন রাস্তায় চলাচল করতে কষ্ট হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আতাউর রহমান আতা বলেন, বর্তমানে রাস্তার বেহাল অবস্থা। ড্রেনগুলো পরিষ্কার না থাকায় একটু বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। অনেকের ঘরের ভেতরে পানি জমে। চলাচলে বিশেষ অসুবিধা হয়। ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত পানির কারণে নামাজীদের সমস্যা হয়। জলাবদ্ধতায় ছোট ছোট বাচ্চারা ঘর থেকে বের হতে পারে না।
কামাল নামে এক ব্যক্তি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌর প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। পৌরসভার দ্বায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তারা রাস্তার এমন অবস্থা দেখতেও আসেন না। ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করাসহ পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। অবহেলিত জনপদকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আল আমিন বেহাল রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দেন।
