স্টাফ রিপোর্টার : সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তার দায়িত্ব পেলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল।
দেশের অষ্টাদশ অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া কাজল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির তিন বারের সম্পাদক।
আইন মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “অনুমোদন হয়ে গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রজ্ঞাপন হবে।”
অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তিনি আসাদুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। আসাদুজ্জামান অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় তাকে আইনমন্ত্রী করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে লেখাপড়া করা রুহুল কুদ্দুস কাজল ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য হন। কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেছেন তিনি। ২০০৬ সালে তিনি ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের 'ইনস অব কোর্ট' থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি পান।
বার কাউন্সিলের সদস্য কাজলের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায়। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। পরে তার নেতৃত্বে বিএনপির আইনি সহায়তা সাব-কমিটি করা হয়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে বিএনপি নেতাকর্মীদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে কাজলের ভূমিকা ছিল প্রথম সারিতে। খালেদা জিয়া ও তারেক রকমানের পক্ষে মামলা লড়তে বিএনপির আইনজীবী দলেও ছিলেন তিনি।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের ভোট গণনা নিয়ে হট্টগোল ও মারামারির মামলায় ২০২৪ সালের মার্চে তাকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ওই সময় থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি শূন্য রয়েছে।
