স্টাফ রিপোর্টার : সাভার পৌর এলাকার মানুষের সেবা করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সাভার পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাভারের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় সাভার পৌরসভার দক্ষিণ রাজাসন নূরে মাদীনা হাজী হাতেম আলী মাদরাসার উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম বলেন, “ছাত্র রাজনীতি থেকেই আমার রাজনৈতিক পথচলার শুরু। ১৯৮০ সালে সাভার কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেল থেকে ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে রাজনীতির মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করি। সেই সময় থেকেই সংগঠন ও মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করে আসছি।”
তিনি আরও বলেন, “পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৬ বছর সাভার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। পাশাপাশি ঢাকা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবেও সংগঠনের জন্য কাজ করার সুযোগ হয়েছে। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মানুষের ভালোবাসা আমাকে আরও বেশি দায়িত্বশীল করেছে।”
নজরুল ইসলাম বলেন, “সাভার পৌরসভার মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছেন, সেই ঋণ শোধ করার জন্য আমি আগামীতে সাভার পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচিত হতে পারলে সাভার পৌরবাসীর উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়ে তোলার জন্য কাজ করবো।”
তিনি আরও বলেন, “সাভারের উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমের বিকল্প নেই। এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে।”
ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মোঃ মেহেদী রানা শহীদ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুফতী মুমিনুর রহমান, মোঃ জসিম উদ্দীন, মোঃ আব্দুল মান্নানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসী।
ইফতার মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি, কল্যাণ এবং সাভার পৌর বিএনপির সভাপতি খন্দকার শাহ মইনুল হোসেন বিল্টুর রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা সাহেদ জহুরি।]\
