সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ রাত
MENU
#
ধামরাই পৌরসভায় মশা নিধনে উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের
daily-fulki

ধামরাই পৌরসভায় মশা নিধনে উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের


ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাই পৌরসভার বিভিন্ন মহল্লায় মশার উপদ্রবে টেকা কঠিন হয়ে পড়েছে। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও রেহাই মিলছে না। মশার যন্ত্রণায় আবালবৃদ্ধবনিতা প্রত্যেক মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরী। তা না হলে মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশু,বৃদ্ধসহ সকল শ্রেনির মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বেন। 
পৌর কর্তৃপক্ষ ও পৌরবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় সাত বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ধামরাই পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ৪০টি মহল্লা রয়েছে। পৌরভ্যন্তরে পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন ধরণের কারখানার কর্মরত আছেন অর্ধলক্ষাধিক জনগোষ্ঠী। সব মিলিয়ে দুই লক্ষাধিক লোকের বাস এ পৌরসভায়। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর পৌরসভার উত্তর-পূর্বপাশ দিয়ে বয়ে গেছে বংশী নদী। এ নদীতে পানি থাকলেও তা দখল-দূষনে নোংরা হয়ে পড়েছে। এখানে পৌরবাসী ময়লা আবর্জনা ফেলছে। ময়লার স্তুপে প্রচুর মশা জন্ম নিচ্ছে। এছাড়া দুটি জলাশয়ে কচুরিপানায় ভরপুর। এতেও প্রচুর মশা জন্ম নিচ্ছে। শীত চলে যাওয়ার পর বৃষ্টিপাত না হওয়ায় প্রাকৃতিভাবে মশা নিধন হচ্ছে না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে পৌরকর্তৃপক্ষ মশা নিধন করছে না। ফলে আরো বেড়ে গেছে মশার উপদ্রব। 


স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না। ফলে বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশার বিস্তার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা,জমে থাকা নোংরা পানি, অপরিস্কার নর্দমা ও দূষিত জলাশয় মশার প্রজননের উৎকৃষ্ট পরিবেশ তৈরি করছে। 
পৌরসভার দক্ষিনপাড়া মহল্লার আবু হানিফ বলেন, সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখলেও মশা কমছে না। দুয়ারেও বসা যায় না। নামাজরত অবস্থায় মশায় কামড়ায়। 


কলেজ ছাত্র মোহাম্মদ তানভীর বলেন, এবারের মশা কয়েলও মানছে না। আগের চেয়ে মশার উপদ্রব অনেক বেশি। পড়ার টেবিল ও বাথরুম থেকে শুরু করে এমন কোন জায়গা নেই যেখানে মশার বিস্তার নেই।  


বিজয়নগর মহল্লার সুমিত্র গোস্বামী বলেন, শুধু রাতে নয়,দিনেও ঘর একটু অন্ধকার হলেই মশা কামড়াচ্ছে। এতে দিনেও মশারী ব্যবহার করতে হচ্ছে। 


এ বিষয়ে পৌরসভার কনজারভেটিভ ইন্সপেক্টর (পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা) রাসেল হোসেন বলেন, মশক নিধনে কিছু ওষধ ছিনানো হয়ে থাকে। কিন্ত তাতে তেমন কোন কাজ হয়নি।


উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক খান সালমান হাবীব বলেন, মশা নিধনে ওষধ কেনার টাকা রয়েছে কিন্তু ভালো মানের ওষধ পাওয়া যাচ্ছে না।    

 

সর্বাধিক পঠিত