স্টাফ রিপোর্টার : ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের যেসব নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারেনি, তাদের জন্য পুনরায় নিবন্ধনের সুযোগ করে দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন যাতে ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্যে এই বিশেষ সুযোগ প্রদান করা হয়েছে। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা আগামী ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত এই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ পাবে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে, যা ইতিপূর্বে গত বৃহস্পতিবার বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পাঠানো ওই চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনুমোদিত ও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের সময়সীমা ২১ জানুয়ারি থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।
বোর্ড কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়েছে, এই নির্দিষ্ট সময়ের পর কোনো অবস্থাতেই আর নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ দেওয়া হবে না। যদি কোনো শিক্ষার্থী এই সময়ের মধ্যে নিবন্ধিত হতে না পারে, তবে তার সব দায়ভার সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে বহন করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই বিশেষ সুযোগের আওতায় টিসির (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) মাধ্যমে অন্য বোর্ড থেকে আসা ছাত্রছাত্রীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন বোর্ড থেকে টিসি নিয়ে ঢাকা বোর্ডের অধীনে ভর্তি হয়েছে, তারা এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চূড়ান্ত করতে পারবে। বোর্ডের কর্মকর্তাদের মতে, অনেক শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকের অনুরোধের প্রেক্ষিতেই মানবিক দিক বিবেচনা করে এই সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য পোর্টাল উন্মুক্ত করা হয়েছে।
নিবন্ধনের এই প্রক্রিয়াটি অনলাইনে শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের ফি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়ার জন্য বোর্ডের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতির প্রথম ধাপ হিসেবে এই রেজিস্ট্রেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই কোনো শিক্ষার্থী যেন তথ্যগত ত্রুটি বা সময়ের অভাবে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি করার জন্য প্রধান শিক্ষকদের আহ্বান জানানো হয়েছে।
