স্টাফ রিপোর্টার : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৩০ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে পাঁচটি আসনের দুটি আসনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। কিন্তু বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটভুক্ত একাধিক প্রার্থী রয়ে গেছেন ৩টি আসনে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম এ ঘোষণা দেন।
ঢাকা জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-১ আসনে ৫ জন, ঢাকা-২ আসনে ৩ জন, ঢাকা-৩ আসনে ৮ জন, ঢাকা-১৯ আসনে ৮ জন এবং ঢাকা-২০ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে মনোনয়ন বৈধ হলেও তিন আসনে ৪ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
এর মধ্যে ঢাকা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিসের ফরহাদ হোসেন, ঢাকা-১৯ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আফজাল হোসাইন ও খেলাফত মজলিসের এ কে এম এনামুল হক এবং ঢাকা-২০ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুর রউফ।
ঢাকা-১ আসনে বিএনপির খন্দকার আবু আশফাক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী নূরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র অন্তরা সেলিম হুদা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ঢাকা-২ আসন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর কর্নেল (অব.) আব্দুল হক নির্বাচনে লড়বেন।
ঢাকা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. শাহীনুর ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের মো. সাজ্জাদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ জাফর, গণসংহতি আন্দোলনের মো. বাচ্চু ভূঁইয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সুলতান আহমদ খান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের মজিবুর হাওলাদার ও গণফোরামের মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী নির্বাচনে লড়াই করবেন। তবে এ আসনে জাতীয় পার্টির মো. ফারুকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তিনি হাইকোট ডিভিশনে রীট পিটিশন করেছেন। হাইকোর্ট ডিভিশনে তার রীট পিটিশন বেধ বলে বিবেচিত হলে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, জাতীয় পার্টির মো. বাহাদুর ইসলাম, এনসিপির দিলশানা পারুল, গণঅধিকারের শেখ শওকত হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইসরাফিল হোসেন সাভারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ফারুখ খান, এনডিপির চৌধুরী হাসান সোরোয়ার্দী ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. কামরুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ ছাড়া ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন, জাতীয় পার্টির আহসান খান, এনসিপির নাবিলা তাসনিদ, খেলাফত মজলিসের আশরাফ আলী, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আরজু মিয়া ও এবি পার্টির হেলাল উদ্দিন আহাম্মদ নির্বাচনে লড়বেন।
তবে ঢাকা-৩ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটভুক্ত আরও ২টি দলের প্রার্থী রয়েছেন। তারা তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেননি। দল ২টি হলো, গণঅধিকার পরিষদের মো: সাজ্জাদ ও গণসংহতি আন্দোলনের মো: বাচ্চু ভূঁইয়া।
ঢাকা-১৯ আসনেও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের ৩টি দলের প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন, বিএনপি’র ১০ দল মনোনীত দেওয়ান মো: সালাউদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের মো: শেখ শওকত হোসেন ও এনপিপির মো: ইসরাফিল হোসেন সাভারী।
এছাড়াও এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটভুক্ত আরও ১ জন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন এলডিপির চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী। যদিও এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো: আফজাল হোসেন ও খেলাফত মজলিশের একেএম এনামুল হক তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
ঢাকা-২০ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটভুক্ত আরও দুটি দলের প্রার্থী রয়েছে। তারা হলো খেলাফত মজলিশের মো: আশরাফ আলী ও এবি পার্টির হেলালউদ্দিন আহাম্মদ।
