ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের প্রতীক্ষিত তফসিল আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পর উপদেষ্টা পরিষদ নতুন কোনো প্রকল্প অনুমোদন করতে পারবে না।
এ ছাড়া, তফসিল ঘোষণার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজনৈতিক দল ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারসামগ্রী (পোস্টার, ব্যানার) সরিয়ে না নেওয়া হলে নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আচরণবিধি প্রতিপালন ও নিশ্চিতকরণের জন্য তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে প্রতিটি উপজেলা/থানায় দুজন করে ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন।
ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা শেষ পাঁচ দিন, অর্থাৎ নির্বাচনের আগের তিন দিন, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচনের পরের দিন বেড়ে যাবে। নির্বাচনী এলাকায় সোশ্যাল সেফটি নেটওয়ার্ক ছাড়া সব ধরনের অনুদান, ত্রাণ ইত্যাদি বিতরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। গত ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রি. জে. (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এ বিষয়গুলো জানিয়েছিলেন।
আরপিওর ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনের সময়সূচি জারি হওয়ার পর থেকে ফল ঘোষণার পর ১৫ দিন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ব্যতিরেকে বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং তাদের অধীন কর্মকর্তাদের অন্যত্র বদলি করা যাবে না।
সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ এবং আরপিওর ৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনের কাজে সহায়তা দেওয়া নির্বাহী বিভাগের কর্তব্য। এই বিধান সাধারণত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কার্যকর হয়ে থাকে।
