সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
MENU
#
নির্বাচনী অপরাধ: ৩০০ অনুসন্ধান কমিটি, মাঠেই করবে বিচার
daily-fulki

নির্বাচনী অপরাধ: ৩০০ অনুসন্ধান কমিটি, মাঠেই করবে বিচার


স্টাফ রিপোর্টার : নির্বাচনী আচরণ বিধি কিংবা অন্য কোনো নির্বাচনী অপরাধে এবার আর তদন্ত করেই ক্ষ্যান্ত দেবে না নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি। বিভিন্ন অপরাধের বিচারও করবে তারা।


নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে এমন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। ৩০০ নির্বাচনী আসনের জন্য ৩০০টি কমিটি হবে। এক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করবেন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা।


২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে প্রথমবারের মতো ৩০০ আসনের জন্য ৩০০টি কমিটি গঠন করেছিল ইসি। সে সময় বিভিন্ন অপরাধের কারণে মন্ত্রী, এমপি (সংসদ সদস্য), প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দলের ২৯৬ জন প্রার্থীকে শোকজ-তলব করেছিল তারা।


সে সময় আরপিও অনুযায়ী, নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠাতেন এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে পাঠাতেন। এর পর তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দিত নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এবার কমিটি নিজেই বিচার করতে পারবে।


প্রতিটি জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সিনিয়র সহকারী জজদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়। গত নির্বাচনে সেই কমিটির সুপারিশে কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি ও নৌকার প্রার্থী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে এক লাখ টাকা এবং বরগুনা-১ আসনের নৌকার প্রার্থী ধীরেন্দ্রনাথ শম্ভুকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ইসি।


আরপিও ৯১ এ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে এবার বলা হয়েছে, এই কমিটি ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে। কিছু নির্দিষ্ট অপরাধ আমলে নিতে পারবে এবং আইন অনুসারে বিচারের জন্য উপযুক্ত আদালতের কাছে মামলাটি পাঠাতে পারবে।


তদন্তে সহায়তার জন্য পুলিশ সুপার/পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্সসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাধ্য থাকবে এবং ব্যর্থ হলে তা অদক্ষতা বা অসদাচরণ বলে গণ্য হবে। এ ছাড়া রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারও কমিটিকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেবেন।


নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে কমিশন। এদিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল রেকর্ড করা হবে। এক্ষেত্রে এদিন বা পরের দিন তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। আর ভোটগ্রহণ হতে ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।

 

 

সর্বাধিক পঠিত