বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ রাত
MENU
#
সাভারে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে সওজের জায়গায় সিএনজি ষ্টেশন, মহাসড়ক যানজট
daily-fulki

সাভারে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে সওজের জায়গায় সিএনজি ষ্টেশন, মহাসড়ক যানজট


স্টাফ রিপোর্টার : সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে ঢাকা সিএনজি লিমিটেড। মহাসড়কের ওপরে ঠায় দাড়িয়ে আছে সিএনজি ষ্টেশনেটি। দৈনিক এ ষ্টেশন থেকে প্রায় ২ হাজার সিএনজি থ্রিহুইলার গ্যাস  গ্রহণ করে থাকে।  ফলে দিনরাত মহাসড়ক  দখলে নিয়ে  দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছে শত শত সিএনজি। বিষয়টি যেন দেখার কেউ নেই। 


অনুসন্ধানে জানাগেছে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার সিএনজি থ্রীহুইলার বিভিন্ন সড়কে  চলাচল করছে। এ সকল সড়কের মধ্যে হেমায়েতপুর হতে  কুইচা মারা বেরী বাধ, হেমায়েতপুর হতে  সিঙ্গাইর,মানিক গঞ্জ,হেমায়েতপুর হতে  কদম তলী অন্যতম। এ সড়কগুলোতে চলাচল কারী সিএনজি গুলো হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডের প্রাণ কেন্দ্র ঢাকা সিএনজি ষ্টেশন হতে গ্যাস নিয়ে থাকে।  গ্যাস স্টেশনের সামনে বরাবরই ঢাকা আরিচা মহাসড়কে সিএনজি গুলো গ্যাস নেয়ার জন্য ঠায় দাড়িয়ে থাকে মহাসড়ক দখল করে।  ফলে সড়কটি ব্যবহারকারীগণ প্রায় সময়ে বিপাকে পড়ছেন। বিশেষ করে যে সকল যানবাহন সিঙ্গাইর,মানিকগঞ্জ, তেঁতুলঝোড়া থেকে  হেমায়েতপুর হয়ে সাভার মুখী যাতায়াত করে তাদের অবর্ননীয় ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।


ঢাকা সিএনজি লিমিটেড এর মালিক মেজর (অব:) আবদুল মান্নান প্রায় ৫০ বছর পূর্বে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক ঘেঁষে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে লম্বালম্বিভাবে অল্প কিছু জমির ওপর সিএনজি ষ্টেশনটি গড়ে তোলেন। স্থানীয় প্রবীন বাসিন্দা আমির আলী অভিযোগ করে জানান, সে সময়ে নিয়ম কানুন না মেনে সিএনজি ষ্টেশনটি স্থাপন করা হয়েছে। পরবর্তীতে বেশ কয়েক দফায় সড়ক প্রশস্ত করা হয়। যার ফলে ঢাকা সিএনজি ষ্টেশনের অধিকাংশ জমি লম্বালম্বিভাবে সরু হয়ে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের ভেতরে চলে যায়।  বর্তমানে সিএনজি ষ্টেশনের দখলে থাকা জমির পরিমাণ  আনুমানিক ৭ থেকে ৮ শতাংশ। সেই জমিও সড়ক ও জনপদ (সওজ) এর বলে নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে জানান সওজের একাধিক কর্মকর্তা। তারা জানান বর্তমানে যে জায়গায় সিএনজি ষ্টেশন দাড়িয়ে আছে তা দেখে ধারণা করা হয়েছে পুরোটা জমি সওজের। তবে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ,সড়ক ও জনপদ বিভাগকে ম্যানেজ করে ঢাকা সিএনজি ষ্টেশনের কার্যক্রম চলছে। বিষয়টি জানতে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ঢাকা অফিসের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে একাধিকবার ফোন করলরেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সিএনজি ষ্টেশনের মালিক মেজর (অব:) আবদুল মান্নানের একটি মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে ফোন দেয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া গেছে।


এ বিষয় নিয়ে ঢাকা  সিএনজি ষ্টেশনের ম্যানেজার সুলতান মাহমুদের সাথে  কথা বলার জন্য সিএনজি ষ্টেশনে গিয়ে তাকে না পেয়ে  কথা হয় সিএনজি ষ্টেশনে দায়িত্ব পালনকারী হিসাব রক্ষক সুমন বাড়ৈ ও অপারেটর মনির উদ্দিনের সাথে।  তারা জানান,গ্যাসের প্রেসার না থাকার কারনে এক একটা  সিএনজিতে মাত্র ৪০/৫০ টাকারগ্যাস গ্রহন করতে পারছে।  ফলে কোন কোন সিএনজি  প্রতিদিন ২/৩বার গ্যাস নিতে সিএনজি ষ্টেশনে আসে ।  এ কারনে মহাসড়কে যানজট লেগে থাকে। সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গায় সিএনজি ষ্টেশনটির অবস্থান বিষয়ে তারা বলেন বিষয়টি ম্যানেজার ও মালিক জানেন।  বিষয়টি নিয়ে কথা বললে সাভার হাইওয়ে থানার ওসি আসাদুজ্জামান নুর জানান, সিএনজি ষ্টেশনের কারণে যানজটের বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

সর্বাধিক পঠিত