বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ রাত
MENU
#
শিক্ষিকার মেসেজে ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’ দেওয়ায় আটকে গেল শিক্ষার্থীর সনদ
daily-fulki

শিক্ষিকার মেসেজে ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’ দেওয়ায় আটকে গেল শিক্ষার্থীর সনদ


কুবি সংবাদদাতা : শিক্ষকের মেসেজে ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’ দেওয়াকে অশোভন আচরণ আখ্যা দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মার্কেটিং বিভাগের এক শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেট আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।


ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের এমবিএ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, গত ২৫ আগস্ট বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মেহের নিগারের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। সহযোগী অধ্যাপক মাশিয়াত যাহিনের অভিযোগের ভিত্তিতে একাডেমিক সভায় আলোচনা শেষে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ইন্টার্নশিপ প্রতিবেদন জমা ও মূল্যায়নের পর শিক্ষার্থী মুজিবুর রহমান ব্যঙ্গাত্মকভাবে হোয়াটসঅ্যাপে শিক্ষিকা মাশিয়াত যাহিনকে ধন্যবাদ জানান এবং তাকে ‘মনে রাখবেন’ বলে উল্লেখ করেন। পরে শিক্ষকের দেওয়া প্রতিউত্তরে ওই শিক্ষার্থী ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’ দেন। বিভাগ এটিকে শিক্ষকের প্রতি চরম অসম্মানজনক ও শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন মত জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, আমি সার্টিফিকেট নিতে বিভাগে গেলে জানানো হয়, অভিযোগ ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না। তবে শিক্ষক ইন্টার্নশিপে আমাকে কী নম্বর দিয়েছেন, তা নিয়ে আমার কোনো ক্ষোভ নেই। এটি শিক্ষকের বিচার্য বিষয়। কিন্তু একটি ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’-এর জন্য কি সত্যিই সার্টিফিকেট আটকে দেওয়া যায়?

অভিযোগকারী শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক মাশিয়াত যাহিন বলেন, আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি সঠিক প্রক্রিয়ায় বিভাগীয় প্রধানের মাধ্যমে রেজিস্ট্রার বরাবর জানিয়েছি। পরবর্তী সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নেবে।

সার্টিফিকেট আটকে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী এভাবে সরাসরি সার্টিফিকেট আটকানো যায় না। তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে তারা যদি সাময়িকভাবে আটকে রাখার সুপারিশ করেন, কেবল তখনই তা হতে পারে।

রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার জন্য উপ-উপাচার্যের কাছে পাঠানো হবে। 

 

সর্বাধিক পঠিত