শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ রাত
MENU
#
প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে প্রস্তুতি, টানাপোড়েনও আছে
daily-fulki

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে প্রস্তুতি, টানাপোড়েনও আছে


স্টাফ রিপোর্টার : চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আয়োজন নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে কয়েক দিন ধরে যোগাযোগ চলছে। প্রাথমিকভাবে এ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে দুই দিনের এ সফর আয়োজন নিয়ে ভারতের দিক থেকে প্রস্তাব রয়েছে। তবে সফর চূড়ান্ত করার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ।

চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের পর দিল্লিতে অবস্থানরত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে প্রত্যর্পণ প্রশ্নে দুই প্রতিবেশী দেশের মতপার্থক্য এখনো দূর হয়নি।

 

ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো শুক্রবার জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ এবার ‘সহায়ক পরিবেশ’ সৃষ্টির তাগিদ দিয়েছে। পাশাপাশি সংবেদনশীল ইস্যুগুলো সমাধানে জোর দিচ্ছে। সংবেদনশীল ইস্যুর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রসঙ্গটি। এর পাশাপাশি ভারতে বসে বিভিন্ন সময়ে যেসব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তিনি চালাচ্ছেন বা বক্তব্য দিচ্ছেন, সেগুলো বাংলাদেশকে অসন্তুষ্ট করে তুলেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সঙ্গে শেখ হাসিনার বিষয়গুলো সরাসরি যুক্ত। এসব বিষয়ে ভারতের কাছে জোরালো নিশ্চয়তা চায় বাংলাদেশ।

 

এদিকে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে গতকাল দুপুরে ঢাকায় ফিরেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষ করে গত সোমবার বিকেলে দিল্লি গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে বাংলাদেশের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। আর দুই দেশের ‘জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক’ এগিয়ে নিতে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা নিয়ে ফিরেছেন বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে।

ঢাকার সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, দীনেশ ত্রিবেদী আজ শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরসহ দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

 

টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি, দ্য ট্রিবিউনসহ ভারতের বেশ কয়েকটি প্রথম সারির গণমাধ্যম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফরের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরের প্রস্তুতি এগোলেও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নটি দুই দেশের আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে। ইংরেজি দৈনিক দ্য ট্রিবিউন নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নে অগ্রগতি না হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হবে না—এমন বার্তা ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি রাজ্যসভায়ও উঠেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে ভারত সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে—এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেস সদস্য রাজীব কুমারের করা প্রশ্নের জবাব দেননি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। যদিও তিনি পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীদলীয় ওই সদস্যের অন্য তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এমন সংবেদনশীল সময়ে প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়াও দিল্লির সতর্ক অবস্থানের ইঙ্গিত বহন করে।

গতকাল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফরের বিষয়টি আসে।

আগস্ট মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হতে পারে কি না—ব্রিফিংয়ে এ নিয়ে বারবার প্রশ্ন করা হয়। একজন জানতে চান, ব্রিকসের আগে না পরে, কখন তারেক রহমান আসবেন? আরেকজন সাংবাদিক জানতে চান তারেক রহমান ব্রিকসের আগেই দিল্লি আসছেন কি না। তিনি জানতে চান, দিল্লিতে কথা বলে দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকা ফিরে গেছেন। এরপর সেখান থেকে সফরসংক্রান্ত কোনো খবরাখবর এসেছে কি না। অন্য একজন জানতে চান, বাংলাদেশে এমন কোনো শর্ত রেখেছে কি, হাসিনাকে প্রত্যর্পণ না করলে তারেক রহমান ভারত সফরে আসবেন না? এই প্রচার সত্য না মিথ্যা?

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সব প্রশ্নের জবাবে বলেন, তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরে আসার আমন্ত্রণ আগেই জানানো হয়েছে। পরে জানানো হয়েছে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে। ব্রিকসের আসরে। এ নিয়ে কোনো অগ্রগতি থাকলে তা জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট দিল্লিতে শেখ হাসিনা অনলাইনে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানের বিষয়ে দিল্লির পক্ষ থেকে ঢাকাকে যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, তা রাখা হয়নি। ফলে ওই দিন রাতেই কঠোর ভাষায় এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ হয়েছে। সেখানে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র এবং এর জনগণের বিরুদ্ধে বিষাক্ত ঘৃণা ছড়িয়েছেন।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গুরুতর অপমান বলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল।

এ ঘটনার দুই দিন পর ৭ আগস্ট ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘ওই মঞ্চ (শেখ হাসিনার মতবিনিময়) থেকে যা কিছু বলা হয়েছে, বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত (ডিউলি কনস্টিটিউটেড) সরকারের বিরুদ্ধে, তা ভারত সরকার অনুমোদন করে না।’

 

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, ঢাকা এখন সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নেও দৃশ্যমান অগ্রগতি চায়। অন্যদিকে দিল্লিও সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহ দেখাচ্ছে। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যর্পণ প্রশ্নে দুই দেশের অবস্থান এখনো এক হয়নি। দিল্লি শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত প্রত্যর্পণ করতে তৈরি বলে ঢাকাকে বার্তা পাঠিয়েছে। ফলে শেখ হাসিনার ইস্যুটির সুরাহা সম্ভাব্য সফরের সময় ও চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ভারতের দৈনিক দ্য ট্রিবিউন বৃহস্পতিবার নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে লিখেছে, দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টায় নতুন জটিলতা তৈরি করেছে। তবে একই সঙ্গে পত্রিকাটি বলেছে, ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের কৌশলগত প্রয়োজনের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাকে দিল্লি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।

 

সম্পর্কের প্রথম পরীক্ষা

বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের নতুন সমীকরণের প্রেক্ষাপটে এ সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মত। এক আলোচনাতেই অমীমাংসিত সব সমস্যার সমাধান না হলেও দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক আলোচনার রাজনৈতিক পথ খুলতে পারে।

দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ হিসেবে দুই দেশই সফরটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনায় বসে নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবেন। তেমনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীও সম্পর্ক নিয়ে প্রত্যাশা তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এর পাশাপাশি সম্পর্ক ইতিবাচক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নিতে নরেন্দ্র মোদি সব ধরনের সহযোগিতা দিতে তৈরির বার্তা দিতে পারেন বলে সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে।

দুই শীর্ষ নেতার আলোচনায় বাণিজ্য, ট্রানজিট, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো দ্বিপক্ষীয় ইস্যুগুলো প্রাধান্য পেতে পারে। ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ এ বছরের ডিসেম্বরে শেষ হতে চলায় এটি নবায়নের আলোচনাও বাড়তি গুরুত্ব পাবে।

এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এ মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত দিল্লি সফর হতে পারে দুই দেশের নতুন রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রথম বড় পরীক্ষা।

বাংলাদেশে আসছে সিআইআই প্রতিনিধিদল

ভারতের শীর্ষস্থানীয় বণিক সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের (সিআইআই) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী সোমবার তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছে। বিএনপি সরকার প্রায় ছয় মাস আগে ক্ষমতায় আসার পর ভারতের কোনো ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের এটা প্রথম বাংলাদেশ সফর। সরকারের একাধিক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর পাশাপাশি সিআইআইয়ের প্রতিনিধিদলটি ব্যবসা এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করবে।

 

সফরের প্রস্তাবে ঢাকায় প্রতিক্রিয়া

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের প্রস্তাব ঘিরে ঢাকার রাজনৈতিক মহলসহ নানা স্তরে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া রয়েছে। বিশেষ করে বিরোধী দল এনসিপিসহ রাজনৈতিক অঙ্গন, গণমাধ্যমসহ নানা পর্যায়ে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে সরকারকে বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে—এমন মত কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, গত মে মাস থেকে ভারতসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার উপস্থিতি সরকারের মধ্যে বিরক্তি তৈরি করেছে। এমনকি ৫ আগস্টে দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের আগেও ভারত সরকারকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী যাতে সে দেশের মাটিতে বসে কর্মকাণ্ড চালাতে না পারেন, সে জন্য অনুরোধ জানিয়েছিল বাংলাদেশ। ভারত ৩ আগস্ট সরকারকে আশ্বস্ত করার পরও শেখ হাসিনা সরাসরি প্রথমবারের মতো মতবিনিময়ের সুযোগ পেলেন। এটা বাংলাদেশ ভালোভাবে নিতে পারছে না। সবমিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে শেখ হাসিনা যে অন্তরায়, সেটাই বলছে বাংলাদেশ।

 

দুই দেশের কূটনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নে মতপার্থক্য দূর না হলেও সম্পর্কের অন্যান্য ক্ষেত্রে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে আগ্রহী ঢাকা ও দিল্লি। সে কারণেই প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতা—দুই দিকেই যোগাযোগের পথ খোলা রাখা হয়েছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী দু–এক দিনে ঢাকা ও দিল্লির সরাসরি যোগাযোগ, বিশেষ করে ভারতের হাইকমিশনারের ঢাকায় রাজনৈতিক স্তরে যোগাযোগ আর আলোচনা তাৎপর্যপূর্ণ। এসব যোগাযোগ আর আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য দিল্লি সফর এবং সফরের প্রস্তুতির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিতে পারে।

 

সর্বাধিক পঠিত