মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ রাত
MENU
#
সিংগাইরে এসএসসি ফলাফলে আবারও শীর্ষে শান্তিপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
daily-fulki

সিংগাইরে এসএসসি ফলাফলে আবারও শীর্ষে শান্তিপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

 

সিংগাইর ( মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি :  মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায়  এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গত বছরের মতো এবারও সাফল্যের শীর্ষে রয়েছে শান্তিপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে দুইজন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ফলাফলের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইসলামপুর নবদিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।
 
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভূমদক্ষিণ স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৩৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১০২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৭৫ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন।

অন্যদিকে, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জনের দিক থেকে উপজেলায় এগিয়ে রয়েছে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ১৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

বিদ্যালয়টির পাশের হার ৪৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
ফলাফল প্রকাশের পর আজ সোমবার  বিকেলে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সিংগাইর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আসমা পারভীন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সিংগাইর উপজেলায় মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২ হাজার ৪৩৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৯৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট পাশের হার ৬৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
 
মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে সিংগাইর উপজেলার ছয়টি প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট পাশের হার ৬৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে খাসের চর মাহমুদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটির পাশের হার ৮০ শতাংশ।

এ ছাড়া ভোকেশনাল বোর্ডের অধীনে উপজেলার একমাত্র প্রতিষ্ঠান জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ২৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাশের হার ৪৯ দশমিক ১২ শতাংশ।

এদিকে, উপজেলার সর্বোচ্চ ফলাফলকারী প্রতিষ্ঠান শান্তিপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক দাবি করেছেন, প্রকৃতপক্ষে এ বছর বিদ্যালয়টির পাশের হার ৯৯ শতাংশ। তাঁর দাবি, বোর্ডের ভুলের কারণে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করলেও তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে। এ কারণে বিদ্যালয়ের ফলাফলে প্রভাব পড়েছে। ভুল সংশোধনের জন্য দ্রুত আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক এনামুল হক বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২৫, ২০২৩ ও ২০১৮ সালেও আমাদের বিদ্যালয় উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ভালো ফলাফল করেছে। এ বছরও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পেরেছি। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এমন সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনেও আরও ভালো ফলাফল করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

 

সর্বাধিক পঠিত