ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাইয়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং এ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। দিনে-রাতে পাঁচ-সাত ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে। বাকী সময় লোডশেডিং দেওয়া হয়। এর প্রভাব পড়েছে সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল-ক্লিনিক ও সিএনজি স্টেশনগুলোতে। এতে কয়েক লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। দীর্ঘ্য সময় বিদ্যুৎ না থাকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষাকার্যক্রম ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত কয়েক দিনে উপজেলার সব এলাকায় বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার হার বেড়েছে। দিনে ও রাতে কমপক্ষে ১০ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। প্রতিবার এক থেকে তিন ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে গতকাল সোমবার প্রতিটি এলাকায় কিছুক্ষন পরপর তিন থেকে চার ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিল না। সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ আসার যাওয়ার মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে গোটা এলাকায় নেমে আসে অন্ধকার। এ সুযোগে চুরি ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও বেড়েছে। বারবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে টেলিভিশন, ফ্রিজ, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে অতিরিক্ত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন সাধারণ গ্রাহকেরা।
ডাউটিয়া এলাকার নাজমুল হাসান বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ব্যাপক লোডশেডিং চলছে। দিনে রাতে কয়েকবার বিদ্যুৎ চলে যায়। দিন-রাতে পাঁচ-সাত ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে।
ধামরাই পৌরসভার দক্ষিণপাড়া মহল্লার মাসুদ খান মজলিশ বলেন, আজ (গতকাল সোমবার) বেলা পৌনে তিনটার দিকে বিদ্যুৎ চলে গেছে, ফিরে আসছে সারে পাঁচটায়। দেড় ঘন্টা থাকার আবার চলে গেছে এখন কখন আসে বলা যাচ্ছে না। দিন যাচ্ছে আর লোডশেডিং এর মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে।
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ধামরাই জোনাল অফিসের ডিজিএম লিপিয়া আক্তার বলেন, জাতীয় গ্রিডে সমস্যার কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়ে গেছে।
