ঢাকা মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪, ২০২০
দেশের সর্ববৃহৎ আইপিও রবির শেয়ারের আবেদন শুরু
  • স্টাফ রিপোর্টার
  • ২০২০-১১-১৭ ১১:০৬:১৩

দেশের শেয়ারবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৫২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহ শুরু করেছে টেলিযোগাযোগ খাতের বহুজাতিক মোবাইল কোম্পানি রবি আজিয়াটা লিমিটেড। দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত এটি সবচেয়ে বড় আইপিও। এর ফলে শেয়ারবাজারে সর্বোচ্চ মূলধনের কোম্পানি হবে রবি।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে রবির শেয়ার বিক্রির আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন। রবির আগে সবচেয়ে বড় আইপিও ছিল গ্রামীণফোনের। ২০০৯ সালে অপারেটরটি ৪৮৬ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করে।

তালিকাভুক্ত হলে রবি হবে দেশের সবচেয়ে বেশি পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানি। বর্তমানে মোবাইল ফোন কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন চার হাজার ৭১৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা। আইপিও শেষে এর পরিশোধিত মূলধন পাঁচ হাজার ২৩৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। গ্রামীণফোনের পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

বর্তমানে দেশের শেয়ারবাজারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূলধনী কোম্পানি ন্যাশনাল ব্যাংক। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন তিন হাজার ৬৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা। তৃতীয় সর্বোচ্চ মূলধনের কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক। এ ব্যাংকের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৬১০ কোটি টাকা।

এর আগে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেয়।

বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৫২ কোটি ৩৭ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩৪টি সাধারণ শেয়ার আইপিওতে ইস্যু করবে। এর মধ্যে ১৩ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ৯৩৪টি শেয়ার কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ইস্যু করা হবে।

 

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করে রবি আজিয়াটার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও আইপিওর খরচে ব্যয় করবে। খসড়া প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, চার হাজার ৭১৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধনের রবির ২০১৯ সালে টার্নওভার হয়েছে সাত হাজার ৪৮১ কোটি ১৭ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। এ টার্নওভার থেকে সব ব্যয় শেষে নিট মুনাফা হয়েছে ১৬ কোটি ৯০ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।

কোম্পানিটির ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্তবছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে চার পয়সা। পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৬৪ পয়সা।

কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে আনতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট।

বাধ্যতামূলক হচ্ছে সরকারি ভবনের বীমা
ব্যাংকে ফের সাইবার হামলার শঙ্কা, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সতর্কতা জারি
দাম বেড়েছে তেলের