ঢাকা বুধবার, জুন ২৩, ২০২১
সিংগাইরে ইউএনও‘র গ্যারেজে নষ্ট হচ্ছে জরুরী ত্রাণসামগ্রী
  • সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • ২০২১-০৬-০৯ ০৬:৩৭:০৩

 

 
চলমান করোনা মহামারির সময়ে সরকার যখন দুস্থ-অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তায় নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছেন, ঠিক তখনই মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ইউএনও’র গুদামে পচে নষ্ট হচ্ছে জরুরী ত্রাণসামগ্রী। ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়েও অনেকেই খাদ্য সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ ওঠেছে। এদিকে, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) গুদামে রাখা ১শ’ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ৯০ প্যাকেটই পঁচে নষ্ট হচ্ছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্যাকেটে থাকা আলু-পেঁয়াজ পঁচে গেছে। চাল, ডালও নষ্ট হওয়ার উপক্রম।
 
তথ্যানুযায়ী, ০৩-০৫-২০২১ ইং তারিখে ১২১ নং স্বারকমূলে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জন্য দূর্যোগকালীন সময়ে জরুরী ত্রাণ সহায়তায় ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। ওই টাকায় ১শ’ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী কিনে ইউএনও’র গ্যারেজ সংলগ্ন একটি কক্ষে গুদামজাত করে রাখা হয়। প্রতি প্যাকেটে ছিলো ১০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ৫ কেজি আলু, ২ কেজি পেঁয়াজ, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি ও ২ প্যাকেট সেমাই। এর মধ্যে ঈদের আগে মাত্র ১০ প্যাকেট বিতরণ করা হয়। 
 
এদিকে, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের একাধিক দুস্থ ত্রাণ প্রত্যাশীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি অফিসে ধর্ণা দিয়েও মেলেনি ত্রাণসামগ্রী। বাস্তা গ্রামের জনৈক চাঁন মিয়া ও আছর উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, গত ঈদের আগে ৩৩৩ নম্বরে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাইনি কোনো খাদ্য সহায়তা। এছাড়া বেসরকারি দু’টি টিভি চ্যানেলেও ত্রাণ বঞ্চিত অসহায় পরিবার নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়।
 
উপজেলা মানবিক সহায়তা কর্মসূচী বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু নাসের বলেন, ওটাতো ইউএনও’র বাসায় ছিলো। আমি এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারবো না ।
 
 এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুনা লায়লা বলেন, এমন তথ্য কে দিয়েছে। ১শ’ প্যাকেটের মধ্যে ৫৪ প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। বাকী প্যাকেটের কিছু আলু পচে গেছে। সেগুলো কিনে বিতরণ করা হবে।
 
 
মানিকগঞ্জে তিন বছরের মাথায় ধসে পড়লো ব্রিজ
অল্প সময়ে অধিক লাভ, সিংগাইরে পেঁপে চাষে আগ্রহ বাড়ছে
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফেরিতে বাস পারাপার