ঢাকা সোমবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
জাবির সহকারী প্রক্টর মেহেদী ইকবালকে অব্যাহতি
  • জাবি প্রতিনিধি
  • ২০২১-০৯-১২ ০৯:১৬:৫৪

আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সহকারি প্রক্টর মেহেদী ইকবালকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত (২৮ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ ভার্চুয়াল সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।


বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (কাউন্সিল) বি এম কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত সিন্ডিকেট সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় আইন শৃঙ্খলার সুরক্ষার লক্ষ্যে সহকারী প্রক্টর ও ওয়ার্ডেনের দায়িত্ব দেওয়া ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেহেদী ইকবালকে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগে দেখা যায়, তিনি তার ১০-১২ বছরের ছেলেকে দিয়ে গাড়ি চালিয়ে নিজেই আইন ভঙ্গ করেছেন।

বিষয়টি সিন্ডিকেটে বিস্তারিত আলোচনার পর তাকে সহকারী প্রক্টর ও ওয়ার্ডেনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৩১ জুলাই ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেহেদী ইকবালের বিরুদ্ধে প্রক্টর বরাবর আইন ভঙ্গ ও হয়রানির অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সাবেক ছাত্র জহুরুল হক।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, ঘটনার দিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশমাইল স্টাফ কোয়ার্টার থেকে স্ত্রী-সন্তানসহ স্কুটি চালিয়ে ক্যাম্পাসের দিকে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে উপাচার্যের বাসভবনের কাছে পেছন থেকে একটি গাড়ি বারবার হর্ন দিলে তিনি গাড়িটি চলে যাওয়ার সংকেত দেন। এরপর গাড়িটি ট্রান্সপোর্ট চত্বরে এসে হঠাৎ থামে। তিনি দেখেন ১২ থেকে ১৩ বছরের একটি ছেলে (মেহেদী ইকবালের ছেলে) গাড়ি চালাচ্ছে।

জহুরুল হক তার অভিযোগে জানান, এ সময় আমি ছেলের পরিবর্তে মেহেদী ইকবালকে গাড়ি চালাতে অনুরোধ করলে তিনি উগ্র ও মারমুখী আচরণ করেন। আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

পরে এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে প্রক্টর বরাবর আবেদন করেন জহুরুল হক। সাবেক ছাত্রের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেহেদী ইকবালের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ।

তবে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের দায় অস্বীকার করে মেহেদী ইকবাল বলেন, আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ঠিক না। যিনি অভিযোগ করেছিলেন তিনি পরবর্তীতে আবার অভিযোগ তুলেও নিয়েছেন। অভিযোগ তোলার পরে তো আর এটার ভিত্তি থাকে না। তবে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম মনে করেছেন এই পদে আমার থাকা দরকার নেই এ জন্য রাখেনি। কিন্তু যে অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে তা ঠিক নয়।

ধামরাইয়ে এলজিইডি প্রকল্পে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবক নিহত
ধামরাইয়ে মাছ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
আশুলিয়ায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তুরাগ নদে , নিহত ১