তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা

দখলীকৃত ফিলিস্তিন নিয়ে আজ থেকে জাতিসংঘের আইসিজেতে শুনানি

- Advertisement -

ফুলকি ডেস্ক : ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে নেয়ায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানি হবে আজ সোমবার থেকে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে)। কমপক্ষে ৫০টি দেশ তাদের বক্তব্য তুলে ধরবে বিচারকদের সামনে। হেগে অবস্থিত এই আদালতে এক সপ্তাহ ধরে চলার কথা এই শুনানি।  বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আদালতে সবার আগে আইনগত প্রক্রিয়া নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরবেন ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালিকি। এই দখলদারিত্ব নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০২২ সালে আইসিজেকে একটি পরামর্শ অথবা মানতে বাধ্য নয় এমন মতামত দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। অতীতে এমন মতামতকে উপেক্ষা করেছে ইসরাইল। এবারও তারা সেই পরামর্শ মানুক বা না মানুক, জাতিসংঘের মতামত গাজায় চলমান ইসরাইলি যুদ্ধের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ইসরাইলের হামলায় ৭ই অক্টোবর থেকে প্রায় ২৯ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আইসিজেতে যেসব দেশ শুনানিতে অংশ নেবে তার মধ্যে আছে ইসরাইলের শক্তিশালী সমর্থক যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর প্রভৃতি। এ বিষয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছে ইসরাইল, তাই তারা শুনানিতে কোনো বক্তব্য দেবে না।

আদালতে শুনানির এই উদ্যোগ বা চাপ সৃষ্টি করেছে ফিলিস্তিন। এর উদ্দেশ্য, আন্তর্জাতিক আইনগত প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে ইসরাইলের আচরণ পরীক্ষা করে দেখে। গাজার সর্ব দক্ষিণের শহর রাফায় ইসরাইলের স্থল হামলা নিয়ে যখন চারদিকে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে তখন এই শুনানি হতে যাচ্ছে।

বেআইনিভাবে ১৯৬৭ সালে যুদ্ধের পর পশ্চিমতীর, গাজা ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রেখেছে ইসরাইল। ফিলিস্তিনিদের কাছে এসব এলাকা ঐতিহাসিক । কারণ, তারা এসব এলাকাকে নিয়ে গড়ে তুলতে চায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র। ইসরাইল তার সেনাদেরকে ২০০৫ সালে গাজা থেকে প্রত্যাহার করে নিলেও, প্রতিবেশী মিশরের সঙ্গে যে সীমান্ত রয়েছে তা এখনও তারা নিয়ন্ত্রণ করে। দখলীকৃত ফিলিস্তিন ভূখণ্ড বিষয়ে আইসিজে, যা ওয়ার্ল্ড কোর্ট নামেও পরিচিত, তার কাছে দ্বিতীয়বারের মতো মতামত চেয়েছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। ২০০৪ সালের জুলাইয়ে আদালত দেখতে পায় যে, পশ্চিমতীরকে দেয়াল নির্মাণ করে আলাদা করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। আদালত বলে, ওই দেয়াল ভেঙে ফেলা উচিত। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই দেয়াল বিদ্যমান।

- Advertisement -

এ বিভাগের আরও সংবাদ