তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা

শিশু হাসপাতালসহ ইউক্রেনের নানা স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৪১

- Advertisement -

ফুলকি ডেস্ক : ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে একটি শিশু হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক ও তিনজনসহ মোট ৪১ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া ১৪০ জন আহত হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির চিফ অব স্ট্যাফ আন্দ্রি ইয়ারমাক। খবর- বিবিসি

ওখমাতদিত নামে যে হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করা হয় সেখানে ২০ জন শিশু চিকিৎসাধীন ছিল বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের কর্মকর্তারা। এটি ইউক্রেনের বড় শিশু হাসপাতালগুলোর মধ্যে একটি। সেখানে শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসার পাশাপাশি অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হয়।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ওখমাতদিত শিশু হাসপাতাল (ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির পোস্ট করা ছবি)

হামলার জন্য রাশিয়াকে দুষছে ইউক্রেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রাশিয়া। মস্কো বলেছে, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরা তাদের নিজেদের স্থাপনাতেই আঘাত হেনেছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‌বিভিন্ন শহরে ৪০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোকে এ ব্যাপারে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। টেলিগ্রামে হামলার ছবি পোস্ট করে তিনি বলেন, রুশ হামলার জবাব দিতে হবে। উদ্বিগ্ন হলেই সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে যাবে না। সমবেদনা কোনো অস্ত্র না।

হামলার পর ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে চিকিৎসাধীন শিশুদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তাদের কয়েকজনের হাতে স্যালাইনের পাইপ।

হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, হামলায় হাসপাতালের একটি অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অপর একটি অংশে আগুন ধরে যায়। এতে হাসপাতালটির ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো বলেন, হাসপাতালের হামলার ঘটনায় একজন চিকিৎসকসহ দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। উদ্ধারকারীরা শঙ্কা করছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেক মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারেন। বিশ্ববাসী দেখুন, তারা (রাশিয়া) কীভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে কিয়েভের নাগরিকদের হত্যা করছে।

হাসপাতালে আসা এক শিশুর মা জানান, হামলার ঘটনা ভয়াবহ। আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছিলাম না। আমি আমার সন্তানকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করছিলাম।

- Advertisement -

এ বিভাগের আরও সংবাদ