1. dailyfulki04@gmail.com : dfulki :
  2. fulki04@yahoo.com : Daily Fulki : Daily Fulki
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর
সিংগাইরে গণডাকাতি মামলার ৭ আসামি গ্রেফতার, অস্ত্রসহ লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার বিদেশিদের কাছে সরকারের উন্নয়ন ও বিএনপি’র অপশাসনের চিত্র তুলে ধরুন: প্রধানমন্ত্রী শাকিব-বুবলীর বিচ্ছেদও হয়েছে? মন্দির-মণ্ডপে আ. লীগ কর্মীদের পাহারা বসানোর নির্দেশ কাদেরের নভেম্বরে হচ্ছে না ডিসি সম্মেলন বিএনপি হাঁটুভাঙা নয়, আ. লীগেরই কোমর ভেঙেছে: ফখরুল গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু ১৭ অক্টোবর পিস্তল ঠেকিয়ে দুবাইফেরত ব্যক্তির সোনা ছিনতাইয়ে দুই পুলিশ হাতিয়ায় দুই জলদস্যু বাহিনীর গোলাগুলিতে নিহত ৩ ধামরাইয়ে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে একট্টা এলাকাবাসী, ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি

মিনিকেট বলে চাল নেই, বাজারজাত ঠেকাতে আইন হচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, দেশে মিনিকেট বলে কোনো চাল নেই। তবু ব্যবসায়ীরা মিনিকেট নামে চাল বাজারজাত করছেন। যাঁরা মিনিকেটের নামে চাল বাজারজাত করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইন করা হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, প্রস্তাবিত আইনে প্যাকেটের গায়ে ধানের জাতের নাম লেখার কথা বলা হয়েছে। চালের বস্তায় ধানের জাতের নাম উল্লেখ করতে হবে। চালে বেশি পলিশ করা যাবে না।

চালের দাম বাড়া উচিত নয় উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতি অস্থির। আমাদের ব্যবসায়ীরাও অস্থির। দেশে চালের কোনো ঘাটতি নেই। তাই এখন চালের দাম বাড়া অনুচিত।’

চালের বাজারে সিন্ডিকেট ভাঙতে গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে বলে জানান সাধন চন্দ্র মজুমদার। তবে তিনি বলেন, তবু সিন্ডিকেট ভাঙছে না। বাজারে খোলা ও প্যাকেটজাত চাল সমান। তবু মানুষ প্যাকেটজাত চাল কিনছে। যারা হীরার মালা গলায় দিয়ে চলাফেরা করে, তাদের কাছে চালের দাম ৮০ থেকে ৯০ টাকা হলেও কিছু যায় আসে না। তবে চালের সিন্ডিকেট ভাঙতে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

চালের বাজারে সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাঁরা বন্দর দিয়ে চাল আমদানি করছেন, তাঁদের নজরদারি করা হচ্ছে। কে কতটুকু চাল আনছেন, তা সরকারের কাছে হিসাব আছে।

খোলাবাজারে প্যাকেটজাত আটা
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, এখন থেকে খোলাবাজারে প্যাকেটে করে আটা বিক্রি করা হবে। প্যাকেট করার প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে খোলাবাজারে আটা বিক্রির কার্যক্রম চালু হবে। তবে প্যাকেট তৈরি করতে না পারলে খোলা বিক্রি করা হবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খোলা আটা বিক্রি হলে তা কালোবাজারি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ জন্য দাম একটু বেশি পড়লেও সব আটা প্যাকেট করা হচ্ছে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে সারা বছরই খোলাবাজারে বিক্রি কার্যক্রম চালানো হবে। ওএমএস, কাবিখাসহ বিভিন্ন প্রকল্পে যে পরিমাণ চাল-আটা লাগছে, তা পূরণের জন্যই মূলত আমদানি করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক কিছু তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে আমাদের পথচলা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা