1. dailyfulki04@gmail.com : dfulki :
  2. fulki04@yahoo.com : Daily Fulki : Daily Fulki
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:০৪ অপরাহ্ন

তেজগাঁওয়ে স্কুলছাত্র নিহত : আশুলিয়ায় চালক গ্রেফতার

  • আপডেট : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৭ বার দেখা হয়েছে

কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বাসা থেকে বের হয়েছিল তেজগাঁও বিজ্ঞান স্কুল ও কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র মো. আলী হোসেন (১৭)। সকাল সোয়া ৭টার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন লাভ রোড সংলগ্ন বিদ্যুৎ অফিসের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় আলী হোসেনকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায় একটি মাইক্রোবাস।

পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনা বুঝতে পেরে পুলিশের থামার সিগন্যাল অমান্য করে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যান মাইক্রোবাসের চালক জিয়াউল। রুট পরিবর্তন করে মাইক্রোবাস নিয়ে আশুলিয়ায় চলে যান। সেখানে তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকেন। একপর্যায়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে রাখেন তিনি।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান উপ-কমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পর ৩৭টি সিটিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনার পর মাইক্রোবাসটি শনাক্ত করে পুলিশ। এরপর চালকের অবস্থান শনাক্ত করে সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে আশুলিয়ার বিশ মাইল এলাকা থেকে চালক জিয়াউল হককে (৫০) গ্রেফতার ও মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়।

ডিসি আজিমুল হক বলেন, গতকাল সকালে দুর্ঘটনার পর ওই এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা আহত শিক্ষার্থী আলী হোসেনকে প্রথমে শমরিতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। পরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।

নিহত আলী হোসেনের বাবা মিরপুরে একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করেন। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনি বড়। পরিবারের সঙ্গে আলী হোসেন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন কুনিপাড়া হ্যাপি হোমস এলাকায় বসবাস করতেন।

ডিসি আজিমুল হক আরও বলেন, গাড়ির মালিকের কর্মস্থল ঢাকায়। তিনি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করেন। এসময় গাড়িটি সাভারে তার পারিবারিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। চালক আশুলিয়ায় থাকেন। তিনি মালিককে নিতে রোববার এখানে আসেন।

এদিকে, জব্দ করা মাইক্রোবাসটিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) লেখা স্টিকার ছিল। এ বিষয়ে ডিসি আজিমুলকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘অনেকেই সাংবাদিক বা পুলিশ না হয়েও সাংবাদিক বা পুলিশ লেখা স্টিকার গাড়িতে ব্যবহার করেন। আমরা তদন্ত করে দেখবো মাইক্রোবাসের মালিক আসলে কে। কারণ গ্রেফতার চালক জিয়া একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছি। সেটা সঠিক কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।’

অন্যদিকে অভিযুক্ত চালকের শাস্তির দাবিতে আলী হোসেনের সহপাঠীরা আজ ফার্মগেট ও বিজয়সরণি সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন। এসময় তারা বেশ কিছু দাবি-দাওয়া তুলে ধরেছেন।

সেসব দাবি বাস্তবায়নে পুলিশ উদ্যোগ নেবে উল্লেখ করে আজিমুল বলেন, আমাদের দায়িত্বের আওতায় যেসব দাবি রয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া ওই কলেজের সামনে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক কিছু তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে আমাদের পথচলা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা