1. dailyfulki04@gmail.com : dfulki :
  2. fulki04@yahoo.com : Daily Fulki : Daily Fulki
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর
সিংগাইরে গণডাকাতি মামলার ৭ আসামি গ্রেফতার, অস্ত্রসহ লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার বিদেশিদের কাছে সরকারের উন্নয়ন ও বিএনপি’র অপশাসনের চিত্র তুলে ধরুন: প্রধানমন্ত্রী শাকিব-বুবলীর বিচ্ছেদও হয়েছে? মন্দির-মণ্ডপে আ. লীগ কর্মীদের পাহারা বসানোর নির্দেশ কাদেরের নভেম্বরে হচ্ছে না ডিসি সম্মেলন বিএনপি হাঁটুভাঙা নয়, আ. লীগেরই কোমর ভেঙেছে: ফখরুল গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু ১৭ অক্টোবর পিস্তল ঠেকিয়ে দুবাইফেরত ব্যক্তির সোনা ছিনতাইয়ে দুই পুলিশ হাতিয়ায় দুই জলদস্যু বাহিনীর গোলাগুলিতে নিহত ৩ ধামরাইয়ে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে একট্টা এলাকাবাসী, ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি

গাবতলীতে বস্তাবন্দি মরদেহ: আসামি মাজেদুলের যাবজ্জীবন

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে রিকশা থেকে কামরুল হাসান নামের এক ব্যক্তির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের মামলায় মো. মাজেদুল হক মানিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি মানিক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ মামলার অপর আসামি পলাতক।

রায়ে হত্যার পর মরদেহ গুম করার চেষ্টার অভিযাগে আরেক ধারায় মাজেদুল ও তার সহযোগী মো. নাসিরকে তিন বছর কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সাবিনা আক্তার নামের এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলায় মকবুল হোসেন নামের অরেকজন আসামি বিচার চলাকালে মারা যান।

২০১১ সালের ২৩ জানুয়ারি গাবতলী বাস টার্মিনালের সামনে রিকশার ওপর চটের বস্তার ভেতর সন্দেহজনক কিছু আছে, জানতে পেরে পুলিশ সেখানে যায়। সেখানে রিকশাচালক সুমন জানান, অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি বস্তায় চাল ও বিভিন্ন জিনিসপত্র আছে জানিয়ে রিকশায় তা তুলে দিয়ে সামনে যেতে বলেন। তিনি পেছনে আসছেন বলে জানান। কিছু সময় পর পেছনের ওই লোককে না পেয়ে আশপাশের লোকদের বিষয়টি জানান রিকশাচালক। পুলিশ উপস্থিত লোকজনের সামনে বস্তা খুলে মরদেহ দেখতে পান। মরদেহের সঙ্গে থাকা মানিব্যাগে ঠিকানা পেয়ে পুলিশ যোগাযোগ করে ভিকটিমকে শনাক্ত করে।

মামলায় আসামি সজিবের দেওয়া জবানবন্দিতে জানা যায়, ভিকটিম কামরুল হাসানকে ২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি রাজধানীর শেওড়াপাড়ার বাসায় হত্যা করেন মানিক। এ ঘটনায় দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক মেহেদী হাসান ২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১১ সালের ২৬ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক মোকাম্মেল হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করা হয়। বিচার চলাকালীন মামলাটিতে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক কিছু তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে আমাদের পথচলা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা