1. dailyfulki04@gmail.com : dfulki :
  2. fulki04@yahoo.com : Daily Fulki : Daily Fulki
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৫৪ অপরাহ্ন

বিভিন্ন স্থানে বিএনপি’র মিছিল-সমাবেশে হামলা

  • আপডেট : শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০২২
  • ৭৭ বার দেখা হয়েছে

ফুলকি ডেস্ক : দেশব্যাপী ডাকা বিএনপি’র প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্থানে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। নোয়াখালীর চাটখিলে প্রতিবাদ সভার মঞ্চে হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা। এ সময় ভাঙচুর করা হয়। এতে আহত হয় কমপক্ষে ৩০ জন। খুলনায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হামলায় বিএনপি’র ৯ নেতাকর্মী আহত হন। মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বিএনপির  মিছিলে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এতে বিএনপির সদস্য সচিবসহ আহত হয়েছেন ৫০ জন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও টাঙ্গাইলের সখীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনা ঘটে।

নোয়াখালী সংবাদদাতা থেকে জানান, নোয়াখালীর চাটখিলে বিএনপির ডাকা প্রতিবাদ সভার মঞ্চ, চেয়ার ভাঙচুর করেছে স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় চাটখিল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু হানিফ ও সদস্য সচিব শাহজাহান রানাসহ ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। গতকাল দুপুর পৌনে ২টার দিকে চাটখিল আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে মঞ্চ ভাঙচুরের এ ঘটনা ঘটে।

বিএনপি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিবাদ সভা পণ্ড হয়ে যায়। তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের নেতৃত্বে চাটখিল বাজারের পূর্ব পাশে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। চাটখিল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহজাহান রানা বলেন, গতকাল বিকাল ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ সভার মঞ্চ ভেঙে তছনছ করে দেয়। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মঞ্চ ভাঙচুর ও বিএনপির নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়।  চাটখিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবিরের সামনে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। ওই সময় পুলিশ কোনো ভূমিকা রাখেনি।  কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, জ্বালানি তেল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে চাটখিল পৌরসভা এলাকার আলিয়া মাদ্রাসার সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বিকালের এ সভার জন্য সকাল থেকে প্যান্ডেল ও মঞ্চ বানানো হয়।  জুমার নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্রধারী উপজেলা ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মী এসে হামলা চালিয়ে মঞ্চ, চেয়ার  ভাঙচুর করে। এ সময় পুলিশ নীরব ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। প্রতিবাদ সভায় আসার পথে বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে আমাদের ৩০ জন নেতাকর্মীকে আহত করা হয়। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ সভাস্থল ঘিরে রাখায় আমরা প্রতিবাদ সভা করতে পারিনি। নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন বলেন, গত তিনদিন ধরে নোয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপি প্রতিবাদ সভা করেছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিএনপির প্রতিবাদ সভা পণ্ড করার কোনো নির্দেশনা নেই। তবে চাটখিল উপজেলা বিএনপির মধ্যে দুটি গ্রুপ রয়েছে। তাদের নিজেদের মধ্যে কোন্দলের কারণে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবাদ সভাস্থলে ছাত্রলীগ-যুবলীগের কোনো নেতাকর্মী হামলা করেনি বলে তিনি দাবি করেন। বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।

 

খুলনা সংবাদদাতা জানান, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপি’র সমাবেশ সফলভাবে সম্পন্নের পর ফেরার পথে নগরঘাট এলাকায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অস্ত্রধারীদের অতর্কিত হামলায় খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলামসহ ৯ জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, কতিপয় পুলিশ সদস্য অস্ত্রধারী এসব সন্ত্রাসীকে সহায়তা করেছে। উল্টো দিঘলিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কুদরতে এলাহী স্পিকার ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক নাসিম আহমেদ নাসিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  তাৎক্ষণিক প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিযোগ করে বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশেডিং, পরিবহন ভাড়াসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সীমাহীন বৃদ্ধির প্রতিবাদে দিঘলিয়ার পথেরবাজার নূর চত্বরে উপজেলা বিএনপি’র উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ, যুবলীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে একই সময়ে ওই স্থানে কর্মসূচির কথা জানিয়ে থানায় লিখিত দেয়। পরে বিএনপি’র সমাবেশ স্থান পরিবর্তন করেছি। সমাবেশ শুরুর পূর্ব থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থল লুৎফরের বটতলায় ব্যাপক জনস্রোতের সৃষ্টি হয়। এই জনস্রোত ঠেকাতে কতিপয় পুলিশ সদস্যের সহায়তায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে। বিভিন্ন স্থানে অতর্কিত হামলা চালিয়ে নেতাকর্মীদের আহত করে। দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মোল্যা, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মনিরুল ইসলাম, যুবলীগের সদস্য হাবিবুর রহমান তারেকসহ ৩০-৪০ জন রামদা, চাপাতি, আগ্নেয়াস্ত্রসহ সেনহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের মিছিলে হামলা করে প্রায় ৯ জন নেতাকর্মীকে আহত করেছে। ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে তবুও অনড় থেকে সমাবেশ সফল করে খুলনার উদ্দেশ্যে ফেরার পথে নগরঘাট ফেরিঘাটে খুলনা জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। এতে জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, দিঘলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক কাকন, সদস্য ইব্রাহিমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পুলিশ উল্টো দিঘলিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কুদরতে এলাহী স্পিকার ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক নাসিম আহমেদ নাসিমকে গ্রেপ্তার করেছে। শুধু দিঘলিয়াতে নয়, প্রত্যেকটি উপজেলায় বিএনপি’র বিক্ষোভ সমাবেশ পণ্ড করতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পাঁয়তারা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।  অপরদিকে দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম বলেন, বিকালে বিএনপি’র কর্মসূচি ছিল। আমাদের নেতাকর্মীরা পথেরবাজার দলীয় কার্যালয়ের সামনে বসে ছিল। এমন সময় বিএনপি’র মিছিল থেকে আমাদের নেতাকর্মীদের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় দিঘলিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ মনিরুল ইসলামসহ ৬ জন মারাত্মক আহত হয়েছেন। বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলার পর তাদের প্রতিহত করা হয়।

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, শ্রীনগরে বিএনপি’র মিছিলে হামলা করেছে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। গতকাল সকাল ১০টার দিকে শ্রীনগর-দোহার বাইপাস সড়কে এই ঘটনা ঘটে। শ্রীনগরে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে ৩টি ককটেল ও লাঠিসোঁটা উদ্ধার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা বিএনপি বাইপাস এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিল বের করে। এ সময় ছাত্রলীগ মিছিল করে ওই এলাকায় এসে মিছিলে হামলা ও মারধর শুরু করে। এ সময় উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব হাফিজুল ইসলাম খান, মহিলা দলের নেত্রী সেলিনা রিনা, যুবদলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন জেমস, যুবদল নেতা মাসুদ রানা, বিএনপি নেতা মামুন, আবুল মৃধাসহ বেশ কয়েকজনকে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিএনপি’র দাবি, ছাত্রলীগ বিনা উস্কানিতে তাদের মিছিলে হামলা করে অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মীকে মারধর করে। আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে গুরুতর আহত ২ জনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তবে ছাত্রলীগ দাবি করে, বিএনপি’র লোকজন তাদের মিছিলের দিকে এগিয়ে এসে হট্টগোল সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে তারা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মারধর করে। আহত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। বেলা ১১ টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ সেলিম আহমেদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ফ্লাইওভারের নিচে অবস্থান নেয়। এ সময় বিএনপি’র নেতাকর্মীদেরকে শ্রীনগরে প্রবেশে বাধা দেয় বলে বিএনপি’র নেতারা অভিযোগ করেন। পরে তারা আটপাড়া এলাকায় সমাবেশ করে। দুপুর ১২টার দিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতিহত করতে  শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মসিউর রহমান মামুনের নেতৃত্বে এম রহমান শপিং কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মিছিল বের হয়।  শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে ৩টি ককটেল ও লাঠিসোঁটা উদ্ধার করা হয়েছে। ছাত্রলীগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। বিএনপি’র কেউ থানায় আসেনি।

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, জ্বালানি তেল ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপি’র কেন্দ্র থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের গোপালদী পৌরসভা এলাকায় গতকাল সকাল ১০টার দিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের বের করা বিক্ষোভ মিছিল পণ্ড হয়ে গেছে। দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে গোপালদী বাজার সংলগ্ন বালুর মাঠে আসার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়।  এ সময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেনসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বেশকিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় গোপালদী বাজার এলাকায় একটি বাঁশের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। স্থানীয় সাংবাদিক হারাধন ছবি তুলতে গেলে তার ওপর হামলা করা হয়েছে। আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউছূফ আলী ভূঁইয়া বলেন, স্থানীয় লক্ষিবরদী এলাকা থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে গোপালদী বাজার সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকায় যাচ্ছিল। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এতে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেনসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।  তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের লোকজন গোপালদী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনিরের বাঁশের দোকানে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। আগুনের ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।  এদিকে গোপালদী পৌরসভা আওয়ামী লীগের মনির সিকদার বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা এলাকায় নাশকতা করার চেষ্টা করছিল। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাতে বাধা দেয়। আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক হাওলাদার বলেন, কোনো প্রকার অনুমতি না নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করার চেষ্টা করেন। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

সখীপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এডভোকেট আহমেদ আযম খানের গাড়িতে আওয়ামী লীগের সমাবেশ থেকে হামলা চালানো হয়েছে।  গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে ফেরার পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কের মোখতার ফোয়ারা চত্বরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঝটিকা মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীরা। গতকাল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে এ ঘটনার একদিন পার হলেও এখনো থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি বলে জানায় পুলিশ। আহমেদ আযম খান বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে সখীপুরে দলীয় কর্মসূচির মিছিল ও সমাবেশ শেষ করে প্রাইভেটকার নিয়ে বাসাইল উপজেলায় ফিরতেছিলাম। পৌরসভার মোখতার ফোয়ারা চত্বরে আসলে সেখানে আওয়ামী লীগের সমাবেশ থেকে বৃষ্টির মতো চেয়ার নিক্ষেপ করে আমার গাড়িতে। এ সময় আমার গাড়ির গ্লাস ভেঙে যায়। দৌড়ে এসে দলীয় নেতাকর্মীরা মানব প্রাচীর তৈরি করে আমাকে উদ্ধার করে। সখীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আহম্মদ আলী বলেন, আওয়ামী লীগের সমাবেশ থেকে চেয়ার দিয়ে হামলা এ ঘটনাটি সত্য নয়। সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিটিং করতেছিলাম ওনার গাড়িতে কে বা কারা চেয়ার নিক্ষেপ করেছে আমাদের জানা নাই। তবে আওয়ামী লীগ বা সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতাকর্মী এ ঘটনায় সম্পৃক্ত না।  সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, এ ঘটনায় সখীপুর থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক কিছু তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে আমাদের পথচলা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা