1. dailyfulki04@gmail.com : dfulki :
  2. fulki04@yahoo.com : Daily Fulki : Daily Fulki
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবর
আশুলিয়ায় চিকিৎসকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা সাভারে শেখ পরশের সুস্থতা কামনায় যুবলীগ নেতার দোয়া মাহফিল অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে সাগরে ট্রলারডুবি, সাঁতরে সৈকতে ফিরলেন ৩১ রোহিঙ্গা আশুলিয়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় ওয়ালটন শ্রমিকের মৃত্যু বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন জরুরি : সাভারে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সাভারে চাঁদার দাবিতে হাত-পা বেঁধে মারধর পঞ্চগড়ে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, সাভারে গ্রেফতার ধামরাইয়ে পূজা মন্ডপে নিরাপত্তায় আনসারদের খোঁজ রাখেন না কেউ সিংগাইরে রাইস মিল মেকানিক্সকে তুলে নিলো যুবলীগ নেতা, মিলছে না হদিস সাভারে হলমার্ক গ্রুপের ভেতর নিরাপত্তা প্রহরী খুন, হত্যাকান্ডটি রহস্যময়

ধামরাইয়ে দূষিত খালের পানির দুর্গন্ধে এলাকাবাসীর ভোগান্তি

  • আপডেট : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৬৯ বার দেখা হয়েছে

ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের মোরারচর, শোলাবাড়ী, গুলাল, উত্তর দিগল গ্রাম, পটল গ্রামের বুক চিরে বয়ে গেছে বংশাই নদীর শাখা নদী। এক সময় এই নদী ছিল ধামরাই উপজেলার তীরবর্তী মানুষের প্রাকৃতিক পানির প্রধান উৎস। যা কৃষি ও গৃহস্থালি কাজে ব্যবহার করা হতো এসব নদীর পানি। নদীতে পাল তুলে নৌকা চলত। জেলেরা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো। মানুষ গোসল করতো মনের আনন্দে। গরু বাছুর গোসল করাতো এই নদীর পানিতে।

কিন্তু স্থানীয় একটি বোর্ড মিলের দূষিত বর্জ্যে নদীর পানি বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। মাছ মরে গেছে। ঘনকালো বিষাক্ত পানি কোন কাজেই ব্যবহার করতে পারছে না নদী তীরবর্তী মানুষ। ঔই বিষাক্ত পানি গায়ে লাগলেই চুলকানিসহ নানা ধরনের চর্ম রোগের সৃষ্টি হয়। দুর্গন্ধে টিকতে পাড়ছে না নদী তীরবর্তী মানুষ। দূষিত ও বিষাক্ত পানির দুর্গন্ধে রাতে ঘুমাতে পারে না তীরবাসীরা। মানুষের দুর্ভোগ আজ চরমে। কিন্তু এই অসহায় মানুষগুলোর দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধামরাই উপজেলার সোনাটেক, শোলাবাড়ী, গুলাল, পটল, ও উত্তর দিঘল গ্রামের মাঝ দিয়ে ভেদ করে নলাম নদীতে গিয়ে শেষ হয়েছে এ বংশাই নদী। বছরের পর বছর ধরে হাজারো মানুষের চোখের সামনে স্পষ্ট দিবালোকে মিলের বর্জ্যে এবং সেই সাথে বিভিন্ন কলকারখানা ও পোলট্রি ফার্মের বর্জ্য পাইপ লাইন দিয়ে সরাসরি ফেলা হচ্ছে বংশাই নদীতে। কিন্তু এ নদীর পার দিয়ে গড়ে উঠা হাজারো মানুষের বাড়িঘর। দুর্গন্ধের কারণে বাড়িতে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এই বিষয়ে খালের পারে বাড়ি মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, এই খান বোর্ড মিলের বর্জ্যের কারণে আমরা দুর্গন্ধে বাড়িতে থাকতে পারি না। ছেলেমেয়েরা ঠিকমত ভাত পানি খেতে পারে না।

কথা হয় একই গ্রামের মোঃ আরিফ হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, আমরা আগে এই খালের পানিতে গোসল করতাম এবং গরু বাছুর গোসল করাতাম এমন কি বাড়ির রান্নাবান্নার কাজ করতেন আমাদের মা চাচিরা। কিন্তু মিলের বর্জ্যের কারণে কাজ তো দূরের কথা দূর্গন্ধে থাকাই কষ্ট। এছাড়া এক সময় মসজিদের মুসল্লিরা এই খালের পানি দিয়ে ওজু করতেন গোসল করতেন। কিন্তু মিলের বর্জ্যের কারণে এখন আর সেটা হয় না।

এই বিষয়ে ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মোসলেম উদ্দিন মাসুম বলেন, গ্রামবাসীর অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ঘটনা সত্য। দুর্গন্ধে মানুষ অতিষ্ঠ। পরে মিল মালিককে ১৫ দিনের সময় দিয়েছি বিষয়টি সুরাহা করার জন্য।
এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি বলেন, ধামরাইয়ে অনেকগুলি বোর্ড মিল আছে যাদের বর্জ্যে কারণে মানুষ অতিষ্ঠ। এদের একটা তালিকা করে পরিবেশ অধিদপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক কিছু তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে আমাদের পথচলা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা