1. dailyfulki04@gmail.com : dfulki :
  2. fulki04@yahoo.com : Daily Fulki : Daily Fulki
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর
সিংগাইরে গণডাকাতি মামলার ৭ আসামি গ্রেফতার, অস্ত্রসহ লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার বিদেশিদের কাছে সরকারের উন্নয়ন ও বিএনপি’র অপশাসনের চিত্র তুলে ধরুন: প্রধানমন্ত্রী শাকিব-বুবলীর বিচ্ছেদও হয়েছে? মন্দির-মণ্ডপে আ. লীগ কর্মীদের পাহারা বসানোর নির্দেশ কাদেরের নভেম্বরে হচ্ছে না ডিসি সম্মেলন বিএনপি হাঁটুভাঙা নয়, আ. লীগেরই কোমর ভেঙেছে: ফখরুল গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু ১৭ অক্টোবর পিস্তল ঠেকিয়ে দুবাইফেরত ব্যক্তির সোনা ছিনতাইয়ে দুই পুলিশ হাতিয়ায় দুই জলদস্যু বাহিনীর গোলাগুলিতে নিহত ৩ ধামরাইয়ে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে একট্টা এলাকাবাসী, ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি

চুরি হওয়া রিকশা খুঁজতে গিয়ে চোর চক্র গড়ে তোলেন কামাল

  • আপডেট : বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২
  • ৭৯ বার দেখা হয়েছে

১৫ বছর আগে কাজের সন্ধানে ঢাকায় এসে রিকশা চালানো শুরু করে কামাল হোসেন। একদিন তার রিকশাটি চুরি হয়। রিকশামালিক তার কাছে রিকশার দাম দাবি করেন। তিনি ধার করে রিকশামালিককে ওই টাকা দেন। সেইসঙ্গে তিনি তার চুরি হওয়া রিকশা খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে রিকশা চুরিতে জড়িত চক্রের সদস্যদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর তিনি নিজেই ঢুকে পড়েন ওই চক্রে। একসময় নিজেই গড়ে তোলে একটি চোর চক্র।

রাজধানীর সবুজবাগ ও মুগদা এলাকা থেকে অটোরিকশা চোর চক্রের মূলহোতা কামাল হোসেনসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের পর বুধবার এসব তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব। অভিযানে ২৩টি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অপর তিনজন হলেন সাজু, ফজলু ও শাহিন সরদার।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে সকালে কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, চুরি ও ছিনতাই করা ব্যাটারিচালিত রিকশা মজুত করে পরে রং পাল্টে বিক্রি করে আসছিল চক্রটি। র‌্যাবের দল ভোরে সবুজবাগ ও মুগদা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

তিনি বলেন, কামাল ১২ বছর ধরে রিকশা চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি করে আসছিল। প্রথমে তিনি একা রিকশা চুরি করতেন। নতুন রিকশায় উঠে চালককে চেতনানাশক মেশানো কোমলপানীয় খেতে দিতেন। চালক অজ্ঞান হলে রিকশা নিয়ে পালাতেন। আবার  রিকশাচালক কোমলপানীয় খেতে রাজি না হলে তার নাকের কাছে চেতনানাশকদ্রব্য ভেজানো রুমাল চেপে ধরে অজ্ঞান করা হত। পরে কামাল রিকশা চুরির জন্য চক্র গড়ে তোলেন।

তিনি আরও বলেন, চক্রের সদস্য রাজু রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় রিকশা নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। পথে কোথাও নতুন রিকশা দেখলে নজরদারি শুরু করত। একপর্যায়ে কামাল টার্গেট করা রিকশার চালককে বলতেন, সামনের রাস্তায় একটি বাসা থেকে কিছু মালপত্র তুলব। সেগুলো কাছাকাছি আরেকটি বাসায় পৌঁছে দিলে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া দেওয়ার প্রস্তাব দিতেন।

‘সেইসঙ্গে রিকশামালিকের ফোন নম্বরও সংগ্রহ করতেন। বেশি ভাড়া পাওয়ার আশায় সহজ-সরল রিকশাচালক রাজি হয়ে যেতেন। তারপর কামাল সুবিধাজনক একটি বাসার সামনে রিকশা থামিয়ে চালককে বাসার ভেতরে ঢুকে মালপত্র আনতে বলতেন। চালক বাসার ভেতরে ঢোকামাত্র চক্রের অপর সদস্য ফজলু রিকশা নিয়ে পালিয়ে যেতেন।’ যোগ করেন তিনি।

চুরি করা রিকশা শাহীন, আকবর, মনির ও বাবলুর গ্যারেজে লুকিয়ে রাখা হতো। এরপর রিকশামালিককে ফোন দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করতেন তারা। টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আদায়ের পর একটি স্থানে রিকশা রেখে মালিককে নিয়ে যেতে বলতেন। চক্রের সদস্যরা একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়। কারাগার থেকে বেরিয়ে ফের একই অপরাধে জড়াচ্ছেন বলেও জানায় র‌্যাব।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক কিছু তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে আমাদের পথচলা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা