1. dailyfulki04@gmail.com : dfulki :
  2. fulki04@yahoo.com : Daily Fulki : Daily Fulki
সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০২:২৬ অপরাহ্ন

আঃলীগের সম্মেলন ৩০ জুলাই-সিংগাইরে সভাপতি পদে মমতাজ চূড়ান্ত সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন ৩ জন

  • আপডেট : বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২
  • ১৭৪ বার দেখা হয়েছে

মাসুম বাদশাহ, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি : দীর্ঘ ৭ বছর পর সিংগাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সমগ্র উপজেলায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। পোস্টার-ব্যানার, ফেস্টুন ও ফেসবুকে চলছে প্রচার-প্রচারণা। চারদিকে বিরাজ করছে সাজ সাজ রব।

এ সম্মেলনে দলের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কর্ণেল (অবঃ) ফারুক খান এমপি, শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ মালেক স্বপন এমপি, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজম এমপিসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছেন।

উপজেলার বিভিন্ন গুরুতপূর্ণ স্থান ছেয়ে গেছে পদ প্রত্যাশী ও তাদের সমর্থিত নেতাকর্মীদের ছবি যুক্ত পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে। প্রধান সড়কে নির্মাণ করা হচ্ছে বাহারী ডিজাইনের তোরণ। দলীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রিয় ও স্থানীয় নেতাদের নজরে আসতে চলছে নানা ধরনের লবিং। সম্মেলনে কাউন্সিলরদের সমর্থন পেতে পদ প্রত্যাশীরা বিভিন্নভাবে তাদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করে চলছেন। আগামী কমিটিতে সভাপতি পদে অন্য প্রার্থী না থাকায় এমপি মমতাজ বেগম নিরাপদ স্থানে থাকলেও চুলছেড়া বিশ্লেষণ চলছে সাধারণ সম্পাদক পদে কে আসছেন। এ পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল মাজেদ খান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: সায়েদুল ইসলাম কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ।

উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের ছয়বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান বর্তমান সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল মাজেদ খান একই পদে ২৭ বছর যাবত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এবারও তিনি তার অবস্থান ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছেন। এদিকে নেতাকর্মীদের অনেকেরই ধারণা সাধারণ সম্পাদক পদে শক্ত অবস্থান রয়েছেন শহিদুর রহমান শহিদ। শহিদ ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপিও ছিলেন। উপজেলা ও জেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ সর্বশেষ উপজেলা আওয়ামী লীগের কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অপরদিকে এ পদে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সায়েদুল ইসলাম। তিনি ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে সাংগাঠনিক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে চলছেন।

সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী শহিদুর রহমান শহিদ বলেন, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দল আমাকে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছিল। প্রার্থীদ্বয় আব্দুল মাজেদ খান ও মো: সায়েদুল ইসলাম দু’জনই নৌকার বিরুদ্ধে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী মুশফিকুর রহমান খান হান্নানের আনারস মার্কায় কাজ করেছেন। এরা প্রকৃত পক্ষে নৌকার লোক না। দলীয় বিরোধীতার কারণেই বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে বিপুল ভোটে হেরে যান তিনি।

অপরদিকে, মাজেদ খান ও সায়েদুলের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃর্ণমূল আঃলীগের নেতা কর্মী ও সাধারণ ভোটাররা শহিদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় তার ভরাডুবী হয়েছে। এতে আমাদের কিছুই করার ছিল না। আমরা নৌকার লোক। নির্বাচনের আগে আমাদের মিথ্যা মামলায় আসামী করায় আমরা ব্যক্তি শহিদের বিরোধিতা করেছি মাত্র, দলের নয়। এদিকে সভাপতি পদে অন্য কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় গত বারের মতই এবারও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হতে যাচ্ছেন মমতাজ বেগম এমপি। এছাড়া সকল পর্যায়ে নেতা কর্মী এবং কাউন্সিলররাও তাকেই সভাপতি হিসেবে চাচ্ছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলের কোন্দল এড়াতে সমযোতার মাধমে বর্তমান সভাপতি এমপি মমতাজ বেগম যদি সাধারণ সম্পাদক পদে পদ প্রত্যাশীদের সঙ্গে বসে যে কোন দু’জনকে সম্মানজনক চেয়ার দিয়ে অপর একজনকে সাধারণ সম্পাদক করেন তাহলে সবচাইতে ভালো হবে। এতে করে দলের বিভাজন হবে না এবং আগামী নির্বাচনে তার জন্যও ভালদিক হবে। অন্যথায় সিংগাইরে দলীয় কোন্দল আরো প্রকট হতে পারে। এর প্রভাব আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও পড়তে পারে।

সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মমতাজ বেগম বলেন, সম্মেলন বড় কথা নয়, কমিটিও বড় কথা নয়। নিজেদের সঠিক পথে থাকতে হবে এবং কিভাবে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আপনারা নৌকার জন্য ক্জা করে যাবেন। এটাই হবে বড় কথা।

 

 

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক কিছু তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে আমাদের পথচলা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা