1. dailyfulki04@gmail.com : dfulki :
  2. fulki04@yahoo.com : Daily Fulki : Daily Fulki
বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর
ইতালির বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাংচুর, ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট না পেলে দলবদ্ধ আত্মহত্যার হুমকি হাজারও প্রবাসীর রাজধানীতে আওয়ামী লীগের ‘শোডাউন’, যানজটে দুর্ভোগ জাতিসংঘ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক, যেসব তথ্য দিল বায়ুদূষণে ২০১৯ সালে ঢাকায় ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু চুরি হওয়া রিকশা খুঁজতে গিয়ে চোর চক্র গড়ে তোলেন কামাল ‘হাওয়া’ সিনেমার পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা সাভারে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পাশবিক নির্যাতন অভিযোগ আশুলিয়ায় কমার্স ব্যাংকে ডাকাতি ও খুন: ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল সিংগাইরে মরণ ফাঁদে প্রাণ গেল মাদরাসা ছাত্রীর! যাত্রাবাড়ীতে ইউনিট আওয়ামী লীগ সভাপতি খুন

সাটুরিয়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে মামলা, স্বামী পলাতক

  • আপডেট : বুধবার, ২০ জুলাই, ২০২২
  • ৬৬ বার দেখা হয়েছে
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ফেরদৌস হোসেনের বিরুদ্ধে।এ ঘটনায় বুধবার (২০ জুন) সকালে নিহত গৃহবধু মালেকা আক্তারের মা জীবননেছা বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার (১৯ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
মৃত মালেকা আক্তার গোপালপুর গ্রামের মোঃ জব্বার আলীর মেয়ে। সে একই গ্রামের শহীদের ছেলে মোঃ ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাত বছর আগে মালেকা আক্তারের সঙ্গে ফেরদৌস হোসেনের বিয়ে হয়। পরে ফেরদৌস হোসেন তিল্লীরচর গ্রামের পিংকি নামে একজনকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকেই প্রথম স্ত্রীকে মারধর করতেন তিনি। একপর্যায়ে প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেন। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি আপস করে প্রথম স্ত্রীর কাছ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা নেন এবং দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা বলে প্রথম স্ত্রীকে পুনরায় বিয়ে করে ঘরে তোলেন ফেরদৌস।
কিন্তু ফেরদৌস টাকা নেওয়ার পরও দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক না দেওয়ায় প্রথম স্ত্রী মালেকার সঙ্গে প্রতিনিয়ত ঝগড়া হতো। এরই জেরে গতকাল রাতে মালেকা ও ফেরদৌসের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধর করেন এবং পেটে লাথি মারেন ফেরদৌস। পরে মালেকার অবস্থা খারাপ হলে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক আক্কাছ আলীকে ঢেকে আনেন তিনি। এ সময় চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করলে ফেরদৌস মরদেহ ফেলে রেখে রাতেই পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে গৃহবধূর বাবা মোঃ জব্বার আলী  বলেন, আমার মেয়ের জামাই ফেরদৌস তিল্লীরচর গ্রামের পিংকি নামে এক মেয়েকে বিয়ে করে। এ নিয়ে মেয়ে মালেকার সঙ্গে জামাইয়ের প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়া হতো। এরই জেরে দুই মাস আগে পিংকিকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে জামাই সাড়ে ৪ লাখ টাকা যৌতুকও নিয়েছে। গৃহবধূর বাবা অভিযোগ করে বলেন, পিংকির পরামর্শে ফেরদৌস আমার মেয়েকে হত্যা করেছে।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মানিকগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর মা জীবননেছা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করতে মাঠে কাজ করছে পুলিশ।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক কিছু তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে আমাদের পথচলা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা