1. dailyfulki04@gmail.com : dfulki :
  2. fulki04@yahoo.com : Daily Fulki : Daily Fulki
বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর
ইতালির বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাংচুর, ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট না পেলে দলবদ্ধ আত্মহত্যার হুমকি হাজারও প্রবাসীর রাজধানীতে আওয়ামী লীগের ‘শোডাউন’, যানজটে দুর্ভোগ জাতিসংঘ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক, যেসব তথ্য দিল বায়ুদূষণে ২০১৯ সালে ঢাকায় ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু চুরি হওয়া রিকশা খুঁজতে গিয়ে চোর চক্র গড়ে তোলেন কামাল ‘হাওয়া’ সিনেমার পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা সাভারে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পাশবিক নির্যাতন অভিযোগ আশুলিয়ায় কমার্স ব্যাংকে ডাকাতি ও খুন: ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল সিংগাইরে মরণ ফাঁদে প্রাণ গেল মাদরাসা ছাত্রীর! যাত্রাবাড়ীতে ইউনিট আওয়ামী লীগ সভাপতি খুন

ধামরাইয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য প্রত্যাশীর দাওয়াতে অধিকাংশ চেয়ারম্যান-মেম্বার অনুপস্থিত

  • আপডেট : বুধবার, ২০ জুলাই, ২০২২
  • ৭৬ বার দেখা হয়েছে

ধামরাই প্রতিনিধি : সামনে জেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে ধামরাইয়ে একটি পার্কে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভার আয়োজন করে এক ধনাঢ্য ব্যক্তির ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন-মাসুদ নামের এক ব্যক্তি। এতে উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও ১টি পৌরসভার মেয়র এবং কাউন্সিলরদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। তাদের জন্য মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজনও ছিল ব্যাপক। কিন্তু তাঁরা অধিকাংশ উপস্থিত হননি। তবে স্থানীয় সংসদসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সেখানে দেখা যায়নি সাবেক এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এমএ মালেকসহ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেন ও মালেক অনুসারীদের।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকা জেলা পরিষদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা না হলেও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শিল্পপতি আবুল হোসেনের ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন-মাসুদ সদস্য পদে নির্বাচন করার প্রত্যয় নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত প্রচারনা চালিয়ে আসছিলেন অনানুষ্ঠানিকভাবে। তিনি গতকাল ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন উপজেলার বিনোদন স্পট মহিশাষী মোহাম্মদীয়া পার্কে।

সেখানে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার ধামরাই উপজেলার ১৬জন চেয়ারম্যান, ১৯২জন সদস্য, একজন পৌর মেয়র ও ১২জন কাউন্সিলদের দাওয়াত দেন। তাদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। জবাই করা হয়েছিল দুইটি গরু ও দুইটি খাসি। দুইপদের মাংসের কাচ্চি বিরিয়ানি, জর্দা, আচার ও বোরহানি ছিল খাবার তালিকায়। ব্যবস্থা করা হয়েছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।

এছাড়া আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মাঝে প্রীতি ফুটবল খেলা। খেলাটি পরিচালনা করেন ৮০ দশকের ফুটবল তারকা কায়সার হামিদ। এতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। অথচ এতোসব আয়োজন করা সত্ত্বেও সেখানে ১৬জন চেয়ারম্যানের মধ্যে মাত্র বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, সানোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ খান লাল্টু, কুশুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান, সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আউলাদ হোসেন, নান্নার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেনসহ পাঁচজন চেয়ারম্যান ও ১৯২জন ইউপি সদস্যদের মধ্যে ৫৪জন সদস্য, পৌর মেয়র গোলাম কবির ও কাউন্সিলর মোকছেদ আলী, কাউন্সিলর শহিদুল্লাহ, কাউন্সিলর আমজাদ হোসেনসহ চারজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। তবে সেখানে দেখা যায়নি সাবেক এমপি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ মালেক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেনসহ এমএ মালেক অনুসারীদের।

জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতির বিষয়ে আবদুল্লাহ আল মামুন-মাসুদ বলেন, হয়ত অনেকের কাজের ঝামেলায় আসতে পারেননি। তবে তিনি এ নিয়ে বিচলিত হননি।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলার পাশর্^বর্তী মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আবদুল মজিদ ফটো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনুপস্থিত চেয়ারম্যানদের মধ্যে চারজন চেয়ারম্যান অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সাবেক এমপি এমএ মালেককে দাওয়াত না দেওয়াতে আমরা সেখানে অনেকেই যাইনি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক কিছু তরুণ সংবাদকর্মী নিয়ে আমাদের পথচলা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিএফপি’র মিডিয়া তালিকাভুক্ত ঢাকা জেলার একমাত্র স্থানীয় পত্রিকা