Home ঢাকা জেলা দক্ষিণ আংশিক সংশোধন করে জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি পুনর্গঠন

আংশিক সংশোধন করে জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি পুনর্গঠন

12

বাংলাদেশের করোনা ভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এবং এর প্রেক্ষিতে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার লক্ষ্যে ইতোপূর্বে গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি আংশিক সংশোধন করে পুনর্গঠন করা হয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন অনুবিভাগের উপসচিব জাকিয়া পারভীন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জারি হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতিও সিনিয়র শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাক্তার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে সভাপতি এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন)( চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাকে সদস্য সচিব করে গঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- বিএসএমএমইউয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডাক্তার কনক কান্তি বড়ুয়া, বিএসএমএমইউয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডাক্তার নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ডাক্তার এ কে আজাদ খান, বিএসএমএমইউয়ের সাবেক উপাচার্য ও গ্যাস্ট্রো অ্যান্ট্রোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাক্তার মাহমুদ হাসান, বিএমএ সভাপতি ড. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিএসএমএমইউয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডাক্তার প্রাণ গোপাল দত্ত (নাক কান ও গলা বিশেষজ্ঞ), অবসট্রেটরিকেল অ্যান্ড গাইনোকলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি, সিনিয়র প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাক্তার রওশন আরা বেগম, আইসিডিডিআরবির ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ডাক্তার শামসুল আরিফিন, সিনিয়র এনেসথিওলজিস্ট অধ্যাপক ডাক্তার খলিলুর রহমান, সিনিয়র মেডিসিন স্পেশালিস্ট অধ্যাপক ডাক্তার তারিকুল ইসলাম, বিএসএমএমইউ মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাক্তার হুমায়ুন সাত্তার, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের প্রাক্তন প্রধান অধ্যাপক ডাক্তার মো. গোলাম মোস্তফা, আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার মাহমুদুর রহমান, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে প্রাক্তন পরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার মো. আব্দুল মোহিত এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের রেজিস্টার সুরাইয়া বেগম।

কমিটির কাজ : সরকারকে করোনা প্রতিরোধ বিষয়ে পরামর্শ প্রদান, হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধির বিষয়ে পরামর্শ প্রদান, যে সকল চিকিৎসক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছেন তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য সরকারকে পরামর্শ প্রদান, স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী চিকিৎসকসহ অন্যদের উৎসাহ প্রদানে কী কী ব্যবস্থা নেয়া যায় সে বিষয়ে পরামর্শ প্রদান, করোনার ভ্যাকসিন সংক্রান্ত গবেষণার বিষয়ে পরামর্শ প্রদান।

গত ২৮ মার্চ আট জন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। জনস্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটি এবং এ কমিটি উভয় প্রয়োজনবোধে যেকোনো কমিটির এক বা একাধিক সদস্যের সাথে মত বিনিময় করতে পারবেন। কমিটি প্রয়োজনে এর সদস্যপদ পরিবর্তন করতে পারবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।