ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজুর বাড়ি থেকে আত্মসাতকৃত সরকারি ত্রাণ সামগ্রীসহ তাকে আটক করেছে র‌্যাব-৪-এর নবীনগর ক্যাম্প। মঙ্গলবার রাত ১টারদিকে তার নিজ গ্রাম আমছিমুরের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার বসত ঘরের পূর্বপাশের টিনশেডের ভেতর মজুদ করা ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার’ ‘ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য’ লেখা ৩৫টি চাউলের বস্তা (৫৬০ কেজি) উদ্ধার করা হয়। মিজু চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক বলে জানা গেছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ‘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’ ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে বিনা মূল্যে যাদবপুর ইউনিয়নের বন্যাদুর্গতদের জন্য ১০০ ব্যাগ ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিটি ব্যাগে ১০ কেজি চাল, এক কেজি তেল, দুই কেজি চিড়া, এক কেজি চিনি, এক কেজি লবণ ও এক প্যাকেট নুডুলস রয়েছে।

র‌্যাব-৪ সাভার ক্যাম্পরে কোম্পানি কমান্ডার অতরিক্তি পুলশি সুপার জমরি উদ্দনি জানান, স্থানীয় জনপ্রতনিধিরিা বর্ন্যাতদরে জন্য পাঠানো সরকারি ত্রাণসামগ্রী বতিরণ না করে নজিরোই আত্মসাৎ করছনে, এমন সুনর্দিষ্টি অভযিোগরে ভত্তিতিে যাদবপুর ইউনযি়ন পরষিদরে চযে়ারম্যান মজিানুর রহমান মজিুর বাড়তিে অভযিান চালানো হয়। অভযিানে তার বাড়তিে ৩৫ বস্তা সরকারি ত্রাণ সামগ্রী পাওয়া যায়।

জমরি উদ্দনি বলনে, ‘একদকিে করোনা, অন্যদকিে বন্যা। এমন পরস্থিতিি মোকাবলিায় সরকার প্রধান যখন অসহায় মানুষদরে জন্য ত্রাণ সামগ্রী ব্যবস্থা করছনে, সখোনে হাত বাড়যি়ে জনপ্রতনিধিরিা তা আত্মসাৎ করছেনে। প্রধানমন্ত্রী যখোনে বার বার ত্রাণ চুরি করা থকেে বরিত থাকতে সর্তক করছনে সখোনওে থমেে নইে অসাধু জনপ্রতনিধিদিরে তৎপরতা। যারা সরকারি ত্রাণ সামগ্রী চুরি করবে তাদরে এভাবইে আইনরে আওতায় আনা হব।’ তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৫(১) ধারায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন’।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সাকু বলেন, মিজানুর রহমান মিজু উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক। তার যদি গরীবের ত্রাণ সামগ্রী আত্মসাতের প্রবণতা থাকে তাহলে তাকে দলে রাখা ঠিক হবে না বলে জানান তিনি।