ধামরাইয়ে ফারুক হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়না তদন্তের জন্য লাশ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত ফারুক উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নের দক্ষিন খড়ারচর গ্রামের মোজর আলীর ছেলে। সে গোল্ড লিফ সিগারেট কোম্পানীর ডিস্টিবিউটর ছিলেন।

লাশের স্বজন ও পুলিশের কাছ থেকে জানা গেছে, ফারুক হোসেন (৩০) সোমবার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর বাড়ি ফিরেনি। গতকাল মঙ্গলবার সকালে তার লাশ কিসমত ভবানীপুর এলাকায় একটি কালভার্টের কাছে দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। এসময় লাশের পাশ থেকে পানির বোতল ও কিট নাশকের প্যাকেট পাওয়া যায়।

ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা জানান, লাশের গায়ে আঘাতের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে হত্যা না আত্মহত্যা করেছে বুঝা যাবে বলে জানান তিনি।

এদিকে নিহতের চাচা তারা মিয়া বলেন, আমার ভাতিজা কীট নাশক খেয়ে যদি মারা যেত তাহলে যেখানে লাশ পাওয়া গেছে সেখানে তো গড়াগড়ির কোন নমুনা পাওয়া যায়নি । তিনি আরো জানান, তার ভাতিজা বিভিন্ন দোকানে সিগারেট দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন দোকানদারদের কাছ থেকে এক লাখ থেকে দুই লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে প্রায় বিশ লাখ টাকা এক ব্যক্তির কাছে জমা দিয়েছিলো। সোমবার ওই ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার কথাছিল। তবে কোন ব্যক্তির কাছে টাকা জমা দিয়েছিল তার নাম তিনি বলতে পারেননি।