এএফসি কাপের বাকি ম্যাচগুলোর ভাগ্য নির্ধারণে শুক্রবার দুপুরে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। এএফসি কাপে যে দেশগুলোর ক্লাব আছে সেই ক্লাব প্রতিনিধি এবং ওই দেশের ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে ছিল এই সভা।

সভায় বাকি ম্যাচগুলো কোন নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের বিষয়ে মত দিয়েছে ক্লাবগুলো। মালয়েশিয়ায় ম্যাচগুলো হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

এএফসির সঙ্গে সভা শেষ করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ জানিয়েছেন, ‘এএফসি কাপে দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশ বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপের ক্লাব আছে। এই দেশের ক্লাবগুলো ও ফেডারেশনের সঙ্গে বাকি ম্যাচগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে এএফসি। সভায় সব ক্লাবই একটা বিষয় স্বীকার করেছে এএফসি কাপের ফরম্যাট হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে অনুযায়ী এখন বিভিন্ন দেশে যাতায়াত করে খেলা সম্ভব নয়। তাই ম্যাচ না কমিয়ে এবং হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ফরম্যাট ঠিক রেখে যেকোন একটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলাগুলো সম্ভব।’

এএফসি প্রস্তাব দিয়েছিল এ ধরনের নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলা আয়োজন করলে কেমন হয়? ক্লাবগুলো একমত হয়েছে। কারণ খেলা শেষ করা তাদের জন্য জরুরি। তো এই নিরপেক্ষ ভেন্যু কোথায় হতে পারে?

‘বাংলাদেশ থেকে পরিস্কার বলে দেয়া হয়েছে ভারতে গিয়ে সব ম্যাচ খেলবে না বসুন্ধরা কিংস। কারণ, সেখানে ভিসা নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হয়। বিশেষ করে আগে বিদেশি ফুটবলারদের ভিসা নিয়ে অনেক ঝামেলা পড়েছিল বাংলাদেশের ক্লাবগুলো। তাছাড়া করোনাভাইরাস বিবেচনা করলেও ভারতে খেলার সম্ভাবনা নেই। হতে পারে অন্য কোন দেশ। এমন কি মালয়েশিয়ার কোন স্টেডিয়ামেও হতে পারে এএফসি কাপের বাকি ম্যাচগুলো’- বলেছেন বাফুফে সাধারণ সম্পাদক।

ক্লাবগুলোর একটা দাবি ছিল তাদের ফুটবলাদের চুক্তির বিষয়ে। কারণ বিদেশি অনেকে খেলোয়াড়ের সঙ্গে চুক্তিও শেষ হয়েছে কয়েকটি ক্লাবের। এ বিষয়ে এএফসি বাকি ম্যাচ শুরুর আগে ট্রান্সফার উইন্ডোর ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

এই সভার আলোচনা পর্যালোচনা করে আগামী সর্বোচ্চ ৩ সপ্তাহের মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে এএফসি। কারণ ২০২০ সালের এএফসি কাপ তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে চায়।