বর্তমান ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পেস বোলিং অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। বিশেষ করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অটোমেটিক চয়েজ বারোডার ২৬ বছর বয়সী এ অলরাউন্ডার।

অথচ ২০১৫ সালের আইপিএলের আগে ভারতের ক্রিকেটে কোন নাম-নিশানাও ছিল পান্ডিয়ার। সেই আসরের আইপিএলের নিলামে ভিত্তিমূল্য ১০ লাখ রুপি দিয়েই পান্ডিয়াকে কিনে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। একটি ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ঝড়ো ৮২ রানের ইনিংস খেলার সুবাদে মুম্বাইয়ের নজরে পড়েছিলেন তিনি।

এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি পান্ডিয়াকে। নিজের ঝড়ো ব্যাটিং ও কার্যকরী বোলিং দিয়ে আইপিএল তো বটেই, ভারতের হয়ে মাতাচ্ছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও। তবে পান্ডিয়ার ক্যারিয়ারে আইপিএলের ভূমিকা অপরিসীম।

আর আইপিএলে নিজের প্রথম মৌসুমেই রিকি পন্টিংয়ের মতো কিংবদন্তি খেলোয়াড়ের সান্নিধ্য পেয়েছেন পান্ডিয়া। যিনি ভারতীয় অলরাউন্ডারকে আগলে রেখেছেন নিজের সন্তানের মতো। ক্যারিয়ার সামনে এগিয়ে নেয়ার পেছনে পন্টিংয়ের তখনকার যত্নের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন পান্ডিয়া।

ক্রিকবাজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘রিকি পন্টিং এমন একজন ছিলেন, যিনি আমার সেরা যত্নটাই নিয়েছেন। তিনি আমাকে নিজের সন্তানের মতো আগলে রেখেছেন। আমার কাছে বাবার মতোই একজন ছিলেন তিনি। অনেক কিছু শিখেছি তার কাছ থেকে। ২০১৫ সালে নতুন ছেলে হিসেবে আমি পেছন দিকে বসতাম, পন্টিংও আমার সঙ্গে বসে অনেক বিষয়ে কথা বলতেন। এগুলো থেকে আমি অনেক শিখেছি।’

এসময় মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের সতীর্থ খেলোয়াড় কাইরন পোলার্ডের সঙ্গে ভালো সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন পান্ডিয়া। তিনি বলেন, ‘পোলার্ডের সঙ্গে আমার দারুণ সম্পর্ক। আমাদের পরিবার একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সময়ের পার্থক্য থাকলেও, আমরা নিয়মিতই কথা বলি। আমি তাকে নিজের সিনিয়র এবং রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করি।’

তবে কাউকে নির্দিষ্ট রোল মডেল ভাবেন না পান্ডিয়া, ‘আমার কখনও কোন রোল মডেল ছিল না। আমি সবসময় সেরাদের কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করি। যা নিজের খেলায় নেয়ার চেষ্টা থাকে আমার। যেমন মাহি ভাই (মহেন্দ্র সিং ধোনি) থেকে শান্ত থাকা, বিরাটের কাছ থেকে রানের ক্ষুধা… ২০১৫ সালে আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই আমি সবার কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করছি।’