করোনার প্রকোপ আর লকডাউনে এমনিই অর্থনৈতিক ধ্বসের মুখে সারা দুনিয়া। ভারতেও অর্থনীতির চাকা তলানিতে। তার উপর ঘুর্ণিঝড় আম্ফানের কবলে পড়লো দেশটি।

পশ্চিমবঙ্গে এর প্রভাব খুবই করুণ। ধুয়ে মুছে গিয়েছে সব। উড়ে গিয়েছে অনেক বাড়ির চাল। নষ্ট হয়ে গিয়েছে জমির ফসল। এমনকী অনেক মাছও মারা পড়েছে। পশ্চিম বাংলাকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষ। সাধ্যমতো সকলেই চেষ্টা করছেন।

নিজ উদ্যোগে এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ব্যবস্থাপনায় সেই ত্রাণ পৌঁছে যাচ্ছে প্রান্তিক মানুষগুলোর কাছে। যদিও এই ত্রাণ বিলি নিয়ে রাজনৈতিক হেনস্থার স্বীকার হচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা। শোনা গিয়েছে এমনটাও।

তবুও সে সব এখন বাদ রেখেই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ডাক দিলেন পার্নো মিত্র। এই সংস্থার সঙ্গে জোট বেঁধে সুন্দরবনের বিভিন্ন গ্রামে ত্রিপল, শুকনো খাবার, পানীয় জল, চাল, ডাল, আলু-সহ আরও প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী তুলে দিলেন পার্নো মিত্র।

আম্ফানে ধ্বংস হয়ে যাওয়া সুন্দরবনকে পুনরায় গড়ে তুলতে সকলকেই পাশে থাকার অনুরোধ করলেন তিনি। এই বছরটা মানুষকে অনেক কিছু শেখাচ্ছে। হাজারো ঝড় ঝাপটার মধ্যেও কীভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে বেঁচে থাকা যায় সেই শিক্ষা যেমন দিচ্ছে তেমনই জাগিয়ে তুলেছে বিবেক বোধ।

৩০ এবং ৩১ মে সুন্দরবনের বেশ কিছু গ্রামে যান পার্নো ও তার টিম। সেই সফরের ছবি তার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লেখেন, ‘এখনও অনেক মানুষ আছেন যাদের কাছে সাহায্য এসে পৌঁছায়নি। মানুষের এখন সাহায্যের প্রয়োজন। দিকে দিকে এই বার্তা ছড়িয়ে দিন সকলে। আসুন সকলে মিলে বাংলাকে আবার আগের মত করে গড়ে তুলি।’