জাপান সরকার দেশটি থেকে জরুরি অবস্থা তুলে নিলেও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখবে। জুন পর্যন্ত সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। এর অংশ হিসেবে জাপানে ভ্রমণে নতুন নিষেধাজ্ঞায় পড়ল বাংলাদেশসহ ১১ দেশ।

বাংলাদেশ ছাড়াও নতুন এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, আর্জেন্টিনা, এল সালভাদর, ঘানা, গিনি, কিরগিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

সোমবার (২৫ মে) জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার (২৭ মে) থেকে নতুন এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইউরোপসহ মোট ১১১ দেশ ও অঞ্চলের নাগরিকরা জাপানে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়লো।

জাপানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১৭ হাজার মানুষ। মারা যায় ৮২৫ জন। করোনা সংক্রমণ কমে আসায় গত ১৪ মে থেকেই জাপানে লকডাউন শিথিল করা হয়।

সোমবার (২৫ মে) জাতির উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবে।

তিনি বলেন, জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার জন্য আমাদের কঠোর মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছিল। আমরা বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখেছি- এসব মানদণ্ড পূরণ হয়েছে।