ধামরাইয়ে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার আ.লীগ কর্মী হারুণ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে

0
80

ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাইয়ে আমতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে মিছিল নিয়ে যোগদানের সময় সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আরিফ হোসেনের মিছিলে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয় কমপক্ষে ৭ জন। এরমধ্যে গুরুতর আহত আওয়ামী লীগ কর্মী হারুন অর রশিদ সাভারে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। তিনি গত পাঁচদিন ধরে লাইফ সাপোর্টে আছেন। এ ঘটনায় মামলা করা হলে বাদীকে মামলা তুলে নিতে আসামিরা অব্যাহত হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

আরও পড়ুন >> ধামরাইয়ে মিছিলে হামলায় আহত ৭, সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা স্থগতি

মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বিকেলে ধামরাইয়ের বাউখন্ড এলাকায় আমতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন চলছিল। এ সম্মেলনে  সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আরিফ হোসেনের সমর্থকরা মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। মিছিলটি বাউখন্ড মদিনা মার্কেটের কাছে পৌঁছলে প্রতিপক্ষ ইব্রাহিম হোসেন তার লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে আরিফ হোসেনের ভাই আওয়ামী লীগ কর্মী হারুন অর রশিদ, আশিকুজ্জামান স্বপন, ফিরোজ, রুবেল হোসেন, রাজিবসহ ৭ জন আহত হয়। এদের মধ্যে হারুন অর রশিদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে সাভারে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি গত পাঁচদিন ধরে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

আরও পড়ুন >> ধামরাইয়ে অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১ লাখ জরিমানা

হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক ডা. বি. করিম জানিয়েছেন, হারুন অর রশিদ কয়েকবার বমি করেছেন। মাথায় আঘাতজনিক কারণে বমি করলে জীবনের ঝুঁকি অনেক বেশী। এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন তিনি। তার অবস্থা আশংকাজনক। তিনি মাথায় মারাত্মক জখম হয়েছেন।

এ ঘটনায় তার ভাই আশিকুজ্জামান স্বপন বাদী হয়ে ইব্রাহিম হোসেন, সিদ্দিক, মান্নান, আলমগীর, জাহাঙ্গীর, লুৎফর রহমান, আব্দুল কাদের, সেলিম, আওলাদ হোসেন, আব্দুল হকসহ ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন >> আশুলিয়া থানা শ্রমিকলীগ সভাপতি খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে বিএনপির কর্মসূচী ফেসবুকে শেয়ার করায় তোলপাড়

মামলার বাদী স্বপন বলেন, মামলা তুলে নেয়ার জন্য আসামিরা আমাকে দফায় দফায় হুমকি দিচ্ছে। আমি ও আমার পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা জানান, মামলার আসামিদের ধরার জন্য জোর চেষ্টা চলছে।