ডাকসু ভবনের তালা ভেঙে ভিপির কক্ষে নূর

0
46

ডাকসু ভবনের ভিপির কক্ষে মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের লাগানো তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছেন ভিপি নুরুল হক নুর। ৪ ডিসেম্বর, বুধবার সন্ধ্যায় তিনি তার কক্ষে প্রবেশ করেন। এর আগে দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের মানববন্ধন শেষে কয়েকজন নেতাকর্মী এসে ভিপির কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন।

বুধবার সন্ধ্যায় কোটা সংস্কারের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদ খান বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন >> ফোনালাপে অনৈতিক লেনদেনের প্রমাণ মিললে পদত্যাগ করবো: ভিপি নুর

এ সময় সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদ প্রক্টরের বিরুদ্ধে অশোভন আচরণের অভিযোগ তুলেন। এ ব্যাপার তিনি বলেন, ‘প্রক্টরকে তালা খুলে দেয়ার জন্য তার অফিসে গেলে তিনি ভিপি ও আমাদের সাথে অশোভন আচরণ করেন। এছাড়া অযৌক্তিকভাবে আমাদের অছাত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের কাছে তালাবদ্ধ কক্ষে প্রবেশের বারবার সহায়তা চাওয়ার দীর্ঘক্ষণ পরেও কোনো ধরনের সহযোগিতা না পেয়ে অবশেষে ভিপি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তালা ভেঙে তার রুমে প্রবেশ করেন।’

আরও পড়ুন >> জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

এর আগে আজ বুধবার দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন  থেকে নরুর কুশপুত্তলিকা দাহ করার পাশাপাশি তার কক্ষে লাগানো হয় তালা। মানববন্ধনে নুরের পদত্যাগ দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেধে দেয়া হয় সংগঠনটি।

এদিকে ফাঁস হওয়া ফোনালাপের বিষয়ে ভিপি নুর বলেন, তার ফোনালাপকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আংশিকভাবে প্রচার করা হয়েছে। এমন কাজ সাংবাদিকতার নীতিবিরোধী।

অডিও ক্লিপ প্রসঙ্গে নুর বলেন, ‘আমার একটি ফোনালাপ ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমার পুরোপুরি কথা না শুনিয়ে কিছু অংশ কেটে প্রচার করেছে, যা সাংবাদিকদের নৈতিকতার সঙ্গে যায় না। আমি এর বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদলিপি ও উকিল নোটিশ পাঠাব।’

আরও পড়ুন >> জাবির নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শিক্ষক লাঞ্ছিতের অভিযোগ

তালাবদ্ধ কক্ষ সম্পর্কে নুর বলেন, কক্ষের তালা ভেঙে ডুকে আমি অফিস করেছি। নিয়ম অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত প্রক্টরকে বিষয়টি জানিয়েছি তিনি যেন এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেন। কিন্তু তার কাছ থেকে আমরা কোন ধরণের সহযোগিতা পাইনি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোন ধরণের সহায়তা না পেয়ে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে তালা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমাকে কল দিয়েছিল পরে আমি বলেছি ভিসি স্যারের অনুপস্থিতিতে অভিভাবক ট্রেজারার স্যার, তার সাথে কথা বলে সমাধান করো। তিনি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন বলে দাবি করেন।