জোড়া খুন: অনৈতিক কার্যকলাপ চলত মিরপুরের সেই বাসায়

0
178

রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বর সেকশনের একটি বাসা থেকে গৃহকর্ত্রী রহিমা ওরফে শাহেদা বেগম (৬০) ও তার গৃহকর্মী সুমির (২০) খুনের ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে অনৈতিক কাজের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ওই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। মিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ আকতার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই জোড়া খুনের ঘটনায় রমজান ও ইউসুফ নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে মিরপুর-২ নম্বর সেকশনের ২নং সড়কের ৯ নম্বর বাড়ির চতুর্থ তলা থেকে ওই দুজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ভবনের নীচতলার বাসিন্দা রফিকুল বলেন, এই ফ্লাটে অনৈতিক কাজ হত তা আমরা আগে থেকেই জানতাম। প্রায় সময় এই বাসায় বিভিন্ন ধরনের লোক আসা যাওয়ার মধ্যে থাকত। এ ব্যাপারে কয়েকবার পুলিশে অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, তার যে পালক পুত্র সোহেল এর মাধ্যমে এই ব্যবসা পরিচালনা করা হত। ওই বাসায় অনেক অপরিচিত তরুণ-তরুণীর আনাগোনা ছিল।

আরও পড়ুন >> আশুলিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে পোশাক শ্রমিককে ধর্ষণ, প্রেমিক আটক

স্থানীয়দের ধারণা, সেখানে অনৈতিক কার্যকলাপ চলত। বিষয়টি নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। কাজের মেয়েকে নিয়েই রহিমা ওই বাসায় থাকতেন। মাঝে মধ্যে সোহেল ও রহিমার দ্বিতীয় স্বামী কুদ্দুস মিয়া আসতেন।

মিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ আকতার হোসেন বলেন, আমরা শুনেছি ডিবি পুলিশ এই খুনের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে। আমরা প্রথমিকভাবে জানতে পেরেছি ফ্লাটটিতে অনৈতিক কাজ চলে আসছিল। আমরা ধারণা করছি, অবৈধ কাজের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে এই খুন হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকা- বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে সোহেলকে আটক করে মিরপুর থানায় জিজ্ঞাসা করা হলেও পরবর্তীতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।