ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আরিফ হোসেনের মিছিলে প্রতিপক্ষের হামলায় ৭ জন আহত হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে ধামরাইয়ের বাউখন্ড ফাসি মার্কেটের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত হারুন অর রশিদ ও আসাদুজ্জামান স্বপনকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, আজ শনিবার বিকেলে ধামরাইয়ের বাউখন্ড এলাকায় আমতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বেনজীর আহমদ।

আরও পড়ুন >> ধামরাইয়ে উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে বাদ দিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত

এ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলেন আরিফ হোসেন, ইব্রাহিম হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন। আরিফ হোসেনের সহ¯্রাধিক সমর্থক বিকেল ৫টারদিকে মিছিল নিয়ে সম্মেলনে রওনা হয়। মিছিলটি বাউখন্ড ফাসি মার্কেটের কাছে পৌঁছলে প্রতিপক্ষের লোকজন মিছিলে অতর্কিতভাবে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এতে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আরিফ হোসেনের ভাই হারুন অর রশিদ, আসাদুজ্জামান স্বপন ও তার সমর্থক ফিরোজ, রুবেল হোসেন, রাজিবসহ ৭ জন আহত হয়। এদের মধ্যে হারুন অর রশিদের অবস্থা আশংকাজনক। তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে আমতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হোসেনের নাম ঘোষণা করা হলেও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়নি।

আরও পড়ুন >> ধামরাইয়ে উদ্ধার হওয়া ডাকাতির মালামাল বিক্রির অভিযোগে দু’ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আমতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আরিফ হোসেন অভিযোগ করেন, আমি যাতে সম্মেলনে যোগ দিতে না পারি এ জন্য প্রতিপক্ষের লোকজন আমার সমর্থকদের মিছিলে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়েছে।

আরও পড়ুন >> ধামরাইয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে ৫ ইটভাটাকে ৬০ লাখ টাকা জরিমানা

এ ব্যাপারে সম্মেলনের উদ্বোধক ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সাকু বলেন, মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ কারণেই সম্মেলনে সভাপতির নাম ঘোষণা করা হলেও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। বিষয়টি মিমাংসা করার পর সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হবে।