????????????????????????????????????

স্টাফ রিপোর্টার : সাভারের ঐতিয্যবাহী জাগরণী থিয়েটার ৬টি আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে অংশগ্রহণের জন্য ভারত সফরে রয়েছে। রাজার চিঠি এবারে ভারতের বিভিন্ন স্থানে ৬টি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ ৫ নভেম্বর দীনবন্ধু মঞ্চ-শিলিগুড়ি, সন্ধ্যা ৬টায়। এখানকার আয়োজনে রয়েছে প্যাসোনেট পারফর্মাস। ৮ নভেম্বর প্রদর্শিত হবে আসামের বরপেটা জেলা লাইব্রেরী মিলনায়তনে। সন্ধ্যা ৬টার এ আয়োজনে থাকছে রংঘর। ৯ নভেম্বর মঞ্চস্থ হবে গুয়াহাটির শ্রীমন্ত শংকরদেব কলাক্ষেত্র মঞ্চে। সন্ধ্যা ৬টায় এখানকার আয়োজনে থাকছে রেপ্লিকা। ১১ নভেম্বর মঞ্চস্থ হবে আসামের যোরহাট থিয়েটার মিলনায়তনে। এ আয়োজনে থাকছে রেপ্লিকা। ১২ নভেম্বর আসামের ডিব্রুগড় জেলা লাইব্রেরী মিলনায়তনে। আয়োজনে থাকছে আখরা ঘর। ১৪ নভেম্বর ত্রিপুরায় আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবন মিলনায়তনে আয়োজনে রয়েছে রাঙ্গামাটি নাট্যক্ষেত্র।

আরও পড়ুন >> নায়িকা মাহির জন্য এতিমখানায় খাওয়ালেন ভক্ত

????????????????????????????????????


থিয়েটারে ১৩ জনের সফরকারী দলে রয়েছেন দেবাশীষ ঘোষ, স্মরণ সাহা, শাহানা জাহান সিদ্দিকা, বাহারুল ইসলাম, মোহানী মানিক, শাহানাজ শারমিন খান সিমু, রুকুনুজ্জামান আপেল, জুলিয়েট সুপ্রিয়া সরকার, মো: রফিকুল ইসলাম, রিপা হালদার, পল্লব সরকার, আবেদা আক্তার তৃপ্তি, এবং ইমন হোসেন। নাটকটি রচনায় মাহফুজা হিলালী আর নির্দেশনায় দেবাশীষ ঘোষ। আগামী ১৫ নভেম্বর জাগরনী থিয়েটারের সদস্যরা দেশে ফিরবে আসবে।

আরও পড়ুন >> সাভারে ‘রাজার চিঠি’ নাটকের প্রতিবাদী মঞ্চায়ন


কাহিনী সংক্ষেপ: ১৯৩৯ সালে শাহজাদপুরের শ্রী হরিদাস বসাকের একটি চিঠির উত্তরে চিঠি লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই চিঠি এবং রবীন্দ্রসাহিত্যের প্রভাবে হরিদাস বসাকের জীবন রবীন্দ্রনাথের ‘ঠাকুরদা’ চরিত্রের মতো হয়ে ওঠে। এই কাহিনী নিয়েই ‘রাজার চিঠি’ নাটকটি লেখা। এক সময় যুবক হরিদাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছে চিঠি লিখেছিলেন। এ নিয়ে তার পরিবার-পরিজন এবং বন্ধুবান্ধব হাসাহাসি করেছিল। কিন্তু দেখা যায়, একদিন রবীন্দ্রনাথ সে চিঠির উত্তর দিয়েছেন। এ সময় হরিদাস বসাককে সবাই সমীহ করতে শুরু করে।

আরও পড়ুন >> যৌন হেনস্থার অভিযোগে শিক্ষকের আত্মহত্যা, ক্ষুব্ধ নায়িকা

অন্যদিকে হরিদাস বসাকও সাহিত্যসংস্কৃতির কাজে নিজেকে সঁপে দেন। সময়ের প্রবাহে আসে ১৯৪৭ সাল। এ সময় অনেকেই দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যায়। কিন্তু যে ঠিকানায় রবীন্দ্রনাথ তাকে চিঠি লিখেছেন, সে ঠিকানা হরিদাস বসাক বদল করতে চান না। নাটকে ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগের চিত্র এবং হরিদাস বসাকের মাতৃভূমি আঁকড়ে থাকা দেখা যায়। এরপর আসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতায় হরিদাস বসাকের স্বপ্নভঙ্গ হয়। পুড়িয়ে ফেলা বাড়ি ঘর দুয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে হরিদাস বসাক সে দিন তাঁর আত্মজনের খোঁজ নেন না, শুধু শিশুর মতো হাহাকার করেন চিঠিটির জন্য। এ অবস্থায় পাকিস্তানি আর্মি এসে দাঁড়ায় হরিদাস বসাকের সামনে। তার মুখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম শুনে আর্মিরা তাকে বেয়োনেট দিয়ে মারতে থাকে। কাহিনী এখানেই শেষ হয়েছে, কিন্তু এর বিস্তৃতি বহু দূর পর্যন্ত প্রসারিত।