অনেক টাকা দিয়ে স্পিন বোলিং কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে নিয়ে আসা হয়েছে রাজধানীতে; কিন্তু ট্রেনিং সিডিউলটা এমন হয়েছে যে, ভেট্টোরি কাজ করতে এসে স্পিনারদের মূল অংশকে পেলেন না। তাদের বড় অংশ জাতীয় লিগ খেলায় ব্যস্ত।

বলার অপেক্ষা রাখে না, দেশের স্পেশালিস্ট স্পিনারদের বড় অংশ জাতীয় লিগ খেলতে রাজধানীর বাইরে ছড়িয়ে রয়েছেন। যেহেতু ভারত সফরের প্রথশ অংশে টি-টোয়েন্টি নিরিজ। তাই আগে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা করা হয়েছে।

তারা শেলে বাংলায় অনুশীলনও করছেন। সেই দলে স্পিশালিস্ট স্পিনার মোট তিনজন; দুই বাঁহাতি স্পিনার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং আরাফাত সানি। আর লেগস্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ছাড়া সবাই জাতীয় লিগ খেলায় ব্যস্ত বাকি সবাই।

এদিকে আগামী ৩০ অক্টোবর টি-টোয়েন্টি দল যাবে ভারতে। তার আগে স্পিনারদের পাওয়ার কোন সুযোগও ছিল না। তাই জাতীয় লিগের মাঝামাঝি ডেকে নেয়া হচ্ছে ৪ স্পিনার তাইজুল ইসলাম, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান এবং রিশাদ আহমেদকে। আজ সকালে বিমানযোগে প্রতেকের রাজধানীতে এসে পৌঁছানোর কথা। সন্ধ্যায় শেরে বাংলায় টি-টোয়েন্টি প্রস্তুতি ম্যাচও অংশ নেবেন তারা।

এদিকে শুধু তাইজুল, মিরাজ, নাঈম হাসান আর লেগ স্পিনার রিশাদই নন। আজ রোববার ও কাল সোমবার যে দুটি টি-টোয়েন্টি প্র্যাকটিস ম্যাচ হবে তাতে অংশ নেয়ার জন্য আরও ৬ জন ক্রিকেটারকে ডাকা হয়েছে।

তার মধ্যে তিনজন ব্যাটসম্যান আর একজন পেস বোলারও আছেন। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জাগো নিউজকে জানিয়েছেন টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার জন্য তারা চার স্পেশালিস্ট স্পিনারের বাইরে মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত, ইয়াসির রাব্বি এবং বাঁ-হাতি পেসার আবু হায়দার রনিকেও ডেকেছেন। তারা সবাই সকালের ফ্লাইটে রাজধানীতে এসে পৌঁছাবে এবং সন্ধ্যায় শেরে বাংলায় যে দ্বিবা-রাত্রির টি-টোয়েন্টি প্রস্তুতি ম্যাচ হবে, তাতে অংশ নেবে।

নান্নু জানান, এর বাইরে অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে আরও দুই তরুণকে ডেকে নেয়া হচ্ছে। সব মিলে ১০ জনকে ডাকা হয়েছে। প্রসঙ্গতঃ তামিম পারিবারিক কারণে সরে দাঁড়ানোয় এখন দলে আছেন ১৪ জন। যাদের দিয়ে দুই দল করা অসম্ভব।

তাই তাদের সাথে ১০ জনকে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। এর সাথে স্পিনারদের বেশি যুক্ত করা হয়েছে, যাতে নতুন স্পিন কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরি তাদের খুব কাছ থেকে দেখতে পারেন।