জাতীয় লিগে কে পাচ্ছে কত টাকা করে!

0
210

বাংলাদেশের সবচেয়ে মর্যাদাকর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট জাতীয় লিগের ২১তম আসর শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকে। চারটি ভেন্যুতে একসঙ্গে প্রথম দিন মাঠে নামছে অংশগ্রহণকারী আট দল। যার মধ্যে চারটি দল প্রথম স্তরে, বাকি চারটি দল মোকাবিলা করবে দ্বিতীয় স্তরে।

এবারের লিগ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে জানানো হয়েছিল, অংশগ্রহণ ফি, ম্যাচ ফি, বোনাসসহ অন্যান্য ফি বাড়ানো হবে। কিন্তু অনেক আশার বাণী শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ ফি থেকে শুরু করে প্রাইজমানির কিছুই সে অর্থে বাড়েনি এবারের জাতীয় লিগে।

এবারও প্রথম স্তরের ক্রিকেটাররা এক ম্যাচ খেলে পাবেন ৩৫ হাজার টাকা করে। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচ ফি করা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা করে। অবশ্য এই ম্যাচ ফি’তে আর কোন ক্যাটাগরি থাকবে না। অর্থ্যাৎ প্রতি ম্যাচে যারা খেলবেন, স্তর অনুযায়ী (প্রথম স্তর, দ্বিতীয় স্তর) সবাই একই পরিমাণ অর্থ তথা ম্যাচ ফি পাবেন।

দুই স্তরের ৮ দলই অংশগ্রহণ বাবদ পাচ্ছে ৬ লাখ টাকা করে। প্রথম স্তরের চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য থাকবে ২০ লাখ টাকা। অন্যদিকে রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ ১০ লাখ টাকা।

NCL-1

অন্যদিকে দ্বিতীয় স্তরের চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাইজমানি ৫ লাখ টাকা করে। তবে এই স্তরের রানার্সআপের জন্য কোনো অর্থ পুরষ্কার বরাদ্দ নেই।

এছাড়া পুরো জাতীয় লিগে ক্রিকেটারদের জন্য আর্থিক সুযোগ সুবিধা নিম্নরূপ

দৈনিক ভাতা : ১৫০০ টাকা (দুই স্তরের ক্রিকেটারদের জন্য সমান)।
যাতায়াত ভাতা : ২৫০০ টাকা (দুই স্তরের ক্রিকেটারদের জন্য সমান)।
প্রতি ম্যাচের সেরা পারফরমার : ২৫ হাজার টাকা (প্রথম স্তরের জন্য)।
আসর সেরা পারফরমার : ১ লাখ টাকা

দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচ সেরা পারফরমার : ২০ হাজার টাকা।
দ্বিতীয় স্তরের টুর্নামেন্ট সেরা : ৫০ হাজার টাকা।

এছাড়া সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারি এবং সর্বাধিক উইকেট শিকারীকে অর্থ পুরষ্কার দেয়া হবে।

প্রথম স্তরের সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী পাবেন ৭৫ হাজার টাকা। দ্বিতীয় স্তরের টপ স্কোরারকে দেয়া হবে ৫০ হাজার টাকা। একই ভাবে প্রথম স্তরের সর্বাধিক উইকেট শিকারীর জন্য থাকবে ৭৫ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় স্তরের সর্বাধিক উইকেট শিকারী পাবেন ৫০ হাজার টাকা করে।

উইনিং বোনাস : প্রথম স্তরের জন্য ৮০ হাজার টাকা। এবং দ্বিতীয় স্তরের প্রতি ম্যাচের বিজয়ী দলের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে।