পুলিশ দেখে তাস ছেড়ে পানিতে ঝাঁপ, ঝিলে মিললো গাড়িচালকের মরদেহ

0
26

বাড্ডায় তাস খেলার সময় পুলিশের গাড়ি দেখে পালাতে গিয়ে পানিতে ডুবে মজনু মিয়া (৪৫) নামে এক গাড়িচালকের মৃত্যু হয়েছে। তবে স্বজনদের দাবি, পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে বেড়াইদ ঝিল থেকে মজনুর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক রমজান।

আরো পড়ুন : ‘অন অ্যারাইভাল’ ভিসা সুবিধায় মানবপাচার, বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে কড়াকড়ি

মজনুর গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর বড়বাজার গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত কোরবান আলী। মজনুর শ্যালক মো. কামাল হাওলাদার জানান, বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে ফটিক গার্মেন্টস সংলগ্ন বেড়াইদ এলাকায় কয়েকজন বসে তাস খেলছিল। সে সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া খেয়ে পাশের একটি ঝিলে কয়েকজন ঝাঁপ দেন। পরে অন্যরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও মজনু আর উঠতে পারেননি। পরে সকালে তার লাশ ভেসে ওঠে।

তিনি আরও জানান, মজনু একজন গাড়িচালক। ফটিক গার্মেন্টসের শ্রমিকদের আনা নেওয়ার কাজ করতেন তিনি। বাড্ডার আনন্দনগর এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। তার স্ত্রীর নাম শুভ তারা, তাদের এক ছেলে মিরাজ।

তবে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পানিতে ডুবে মৃত্যুর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন বাড্ডা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. ইয়াছিন গাজী। তিনি বলেন, মজনুর স্বজনদের অভিযোগ মিথ্যা।

আরো পড়ুন : রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া কেন, জানতে চান তিন দেশের রাষ্ট্রদূত

তিনি দাবি করেন, আমরা জানতে পেরেছি, বেড়াইদ এলাকায় ফটিক গার্মেন্টসের পাশে বসে কয়েকজন তাস খেলছিল, সে সময় পাশ দিয়ে আমাদের একটি গাড়ি যায়। তারা পুলিশের গাড়ি দেখে পাশের ঝিলে লাফিয়ে পড়ে। পুলিশ তো বিষয়টি প্রথমে জানতেই পারেনি। পরে বিকালে সংবাদ পাই ওই ঝিলে কয়েকজন লাফিয়ে পড়েছিল। অন্যরা উঠতে পারলেও একজন উঠতে পারেনি। সে সংবাদে আমরা ডুবুরি দিয়ে অনেক খোঁজ করি। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে মজনুর লাশ ভেসে ওঠে।