ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করণীয়

0
156

ডায়াবেটিস কোনো রোগ নয়, কিন্তু একে সব রোগের মা বলা হয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরের ভাইটাল অঙ্গগুলোর নানা সমস্যা দেখা দেয়। শুধু জীবনযাত্রার পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে এ রোগটিকে অনেকাংশে সাফল্যের সঙ্গে প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ অথবা বিলম্বিত করা যায়।

❏ ডায়াবেটিস বিষয়ে সঠিক শিক্ষা বা জ্ঞান অর্জন করে জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুন >> ঘরোয়া উপায়ে মশা তাড়ান

❏ শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট-জাতীয় খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ হ্রাস করা, ওজন নিয়ন্ত্রণ করা, কায়িক পরিশ্রম এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত।

❏ খাবারদাবারে নিয়ম মানতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। শাকসবজি, ফলমূল ও আঁশজাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে।

❏ চিনি, মিষ্টিযুক্ত খাবার যেমন—সফট ড্রিংকস, চকোলেট, কেক, পেস্ট্রি, কুকি ইত্যাদি; ক্যালরিবহুল খাবার যেমন—তেল, ঘি, মাখন, ডালডা, চর্বি, ডিমের কুসুম, মগজ ইত্যাদি কম খেতে হবে।

❏ ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলতে হবে।

❏ শর্করাবহুল খাবারগুলো (চাল, আটা ইত্যাদি দিয়ে তৈরি খাবার) কিছুটা হিসাব করে খেতে হবে।

আরও পড়ুন >> সুস্থ থাকুক শিশুর দাঁত

❏ দৈনিক ক্যালরি হিসাব করে খাবার খেতে হবে। প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে হবে।

❏ প্রতিদিন পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে।

❏ ধূমপানসহ সব ধরনের তামাক বর্জন করতে হবে।

❏ প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে দ্রুত হাঁটা উচিত। সাইকেল চালনা, সাঁতার কাটা কিংবা সিঁড়ি ভাঙা ভালো ব্যায়াম। মনে রাখতে হবে, রক্তের গ্লুুকোজগুলো পোড়াতে হবে কায়িক পরিশ্রম বা কাজের মাধ্যমেই।

❏ উচ্চতা অনুযায়ী ওজন স্বাভাবিক মাত্রায় রাখার চেষ্টা করতে হবে। একই সঙ্গে মেদ-ভুঁড়ি যেন না বাড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

❏ অনেক ক্ষেত্রে বিষণ্নতা ডায়াবেটিস বাড়ায়, তাই মনকে প্রফুল্ল বা মানসিক চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুন >> ফুলকপি-ডিম কষা রেসিপি

❏ শিশু-কিশোরদের মধ্যে আজকাল টাইপ-২ ডায়াবেটিসের প্রভাব বেড়ে যাচ্ছে। তাই তারা যেন অপুষ্টিতে না ভোগে আবার অতি পুষ্টিতে ওজনও যেন না বাড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

❏ শিশুরা যেন শ্রমবিমুখ না হয়, তা দেখাও গুরুত্বপূর্ণ।

❏ গর্ভকালীন মায়ের পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে, যেন গর্ভস্থ শিশু অপুষ্টিতে না ভোগে।

❏ ডায়াবেটিস হলে চিকিৎসকের পরামর্শে যথাযথ ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে।