পুরোনো ফরম্যাটে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিশ্বকাপ

0
79

এবারের বিশ্বকাপ হবে প্রযুক্তির উৎকর্ষতার বিশ্বকাপ। সারা বিশ্বের কোটি কোটি টিভি দর্শকের সুবিধার জন্য এবার নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগ করবে আইসিসি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বরাতে আইসিসি এবারের বিশ্বকাপকে বলছে ‘স্টেট অব দ্য আর্ট’।

প্রযুক্তিতে নতুনত্ব এলেও ফরম্যাট কিন্তু ২৭ বছরের পুরোনো। ১৯৯২ বিশ্বকাপের সঙ্গে এবারের বিশ্বকাপের দারুণ মিল। সেবার কোনও গ্রুপ ছিল না। টুর্নামেন্টের ৯টি দল রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে একে অন্যের মুখোমুখি হয়েছিল। তারপর সেরা চার দলকে নিয়ে হয়েছিল সেমিফাইনাল। আয়োজক অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সেবার অংশ নিয়েছিল ভারত, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে। জিম্বাবুয়ে তখনও টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি, তারা খেলেছিল আইসিসি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।

এবারও একই ফরম্যাট। পার্থক্য হলো এবার দলের সংখ্যা ১০টি—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আফগানিস্তান এবং স্বাগতিক ইংল্যান্ড।

১৯৯২ ছিল রঙিন জার্সির প্রথম বিশ্বকাপ। তবে তখন ক্রিকেট ম্যাচ সম্প্রচারে আজকের মতো এত প্রযুক্তি ছিল না। এমনকি ছিল না টিভি আম্পায়ারও!

কিন্তু এবার প্রযুক্তির শিখরে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ উপহার দিতে চায় আইসিসি। তাই প্রতিটি ম্যাচে মাঠে থাকবে ৩২টি ক্যামেরার ব্যবহার। প্রযুক্তির নতুন সংযোজনে এবার স্টাম্পের সামনে এবং পেছনে থাকবে ক্যামেরা। থাকবে ৮টি আল্ট্রা মোশন হক আই ক্যামেরা ও স্পাইডার ক্যাম।

ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা ইতিহাসও গড়তে যাচ্ছে এবার। ৪৬ দিনে ৪৮টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে আইসিসি টিভির মাধ্যমে। এবারই প্রথম রিপ্লে দেখানো হবে ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে, যাতে মাঠের পরিপূর্ণ চিত্র ধরা পড়বে দর্শকের সামনে। থাকবে ড্রোন ক্যামেরা ও বাগি ক্যাম। বাগি ক্যামের মাধ্যমে মাঠের অবস্থা সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন ক্রিকেট ভক্তরা। ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরিসংখ্যানের ভিজুয়ালাইজেশনের উপস্থাপনাতেও থাকছে বৈচিত্র্য।

ক্রিকেটারদের তথ্য সংগ্রহেও থাকবে অভিনবত্ব। যাকে বলা হচ্ছে প্লেয়ার ট্র্যাকিং প্রযুক্তি। মাঠে ক্রিকেটারদের শরীরবৃত্তীয় তথ্য-উপাত্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পাওয়া যাবে এর মাধ্যমে।